• সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

পানছড়িতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, আহত-৯

অনলাইন ভার্সন
অনলাইন ভার্সন
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই সৎ ভাইয়ের পরিবারের মাঝে সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার বাজারের পাশে এই ঘটনা ঘটে।

হাকিম আলীর দ্বিতীয় সংসারের ছেলে ও মেয়ে আবদুল আহাদ,আফিয়া বেগম, রোকেয়া বেগম, আবদুল মান্নান, মোঃআবদুল দুলালসহ ভাইবোনরা পানছড়ি বাজারের পাশে নিজের বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছিল বলে জানা যায়। আফিয়া বেগম জানান,গত ৩০ মে সন্ধ্যায় অপরিচিত কিছু লোকজন নিয়ে এসে আমাদের জায়গা থেকে উঠে যাওয়ার জন্য সৎভাই আবদুল করিম হুমকি ধমকি দেওয়া শুরু করে। আমরা কোথাও যাব না বললে তারা আমাদের রড দিয়ে এলোপাতাড়ি বাড়ি মাড়ে।

জানা যায়, এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পরিবারের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে উভয় পরিবারের অন্তত ৯ জন আহত হয়।

আহত পরিবারের মধ্যে ছিলো আফিয়া বেগম (৫৬), রোকেয়া বেগম ও ছকিনা বেগম ও আবদুল আহাদ এর স্ত্রী শাহানাজ আক্তার ( আপাইমা মারমা)।

আহত অপর পরিবারের সদস্যরা হলেন জয়নাল আবেদীন, আয়শা আক্তার, আবদুল ওহাব, মাফিয়া জামান,আরিফুর রহমান তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা যায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল তারা উভয় সৎভাই বোনদের মধ্যে। একটি ২০ শতক জমিকে উভয় দাবী করে আসছিল।

দ্বিতীয় পরিবারের আহত বোন ছকিনা বেগম জানান, আমার সৎ ভাই আবদুল করিম গত ৩০ মে সন্ধ্যায় অপরিচিত লোকজন নিয়ে এসে আমাদের বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলে। আমরা যেতে না চাইলে তারা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।তার ছোট ভাই জয়নাল আবেদীন আমাকে রড দিয়ে বাড়ি মারে এবং আবদুল করিম এর স্ত্রী আমার গলা চিপে ধরে।তারপর এক পর্যায়ে পুলিশ আসলে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই।আমার মাথায় ৮টি সেলাই লেগেছে।
আমরা প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।

এইদিকে একই অভিযোগ এনে আবদুল করিম বলেন, তারা আমাদের নিজস্ব জায়গা থেকে বিতারিত করতে আমাদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে। গতকাল রাতে তারা আমি, আমার ভাই ও আমার স্ত্রীসহ আমার পরিবারের উপর হামলা করে। পরে আমাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে আমাদের উদ্ধার করে।আমার ছোট ভাই জয়নাল আবেদীনকে মেরে হাত ভেঙ্গে দেই আবদুল মান্নান। তারা এখন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

পানছড়ি থানার ওসি হারুনর রশীদ বলেন, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ মামলা নিয়ে আসেনি।মামলা নিয়ে আসলে আমরা ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ