এম.ডি.এন.মাইকেলঃ
রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পিডব্লিউডি এর কর্মচারীদের বাসস্থানের জন্য কোয়াটার বরাদ্দ দেওয়া হয় কিন্তু দুঃখের বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হয় কোয়ার্টারগুলোতে কর্মচারীরা বসবাস না করে অন্যত্র ভাড়া দিয়ে রেখেছে যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বর্তমানে বরাদ্দকৃত কোয়ার্টার গুলোর মধ্যে যারা বসবাস করছেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগ বসবাসকারীদের কেউই পিডব্লিউডি তথা সরকারি চাকরি করেন না। সরকারি কোয়াটারে বসবাসরত বাসিন্দাদের কয়েকজনকে প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন আমরা ভাড়া দিয়ে থাকি এবং যাদের নামে সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ দেওয়া আছে তাদের কাছ থেকে আমরা ভাড়া নিয়েছি মাস শেষে ভাড়া প্রদান করি। দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকার অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পিডব্লিউডি এর এই কোয়াটারের খালি জায়গায় আনুমানিক একশো স্থাপনা নির্মাণ করে মাসিক মোটা অংকের টাকা ভাড়া উত্তোলন করে নিজেদের ভিতরে ভাগ বাটোয়ারা করে শফিক,আব্দুল ও ভানু গংরা।এই সকল বিষয়ে জানতে পিডব্লিউডির জায়গায় স্থাপনা নির্মাণকারীদের মুল হোতা শফিক এর মুঠো ফোনে যোগাযোগা করা হলে তিনি বলেন আমার স্ত্রী পিডব্লিউডি’র এর একজন কর্মচারী আমি পিডব্লিউডি তে চাকরি করি না,পরবর্তীতে এ-ই প্রতিবেদকের পরিচয় পাওয়ার পরে অভিযুক্ত শফিক বলেন আমার কোনো স্ত্রী নেই এমনকি আমি আমার স্ত্রীর নাম ও জানি না এই বলে তিনি মুঠোফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এই প্রতিবেদকের মুঠো ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর জনৈক শফিক এক সঙ্গী নিয়ে দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকার অফিসে এসে সমঝোতার চেষ্টা করে। অন্য দুই নেপথ্য নায়ক আব্দুল ও ভানু গং এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কোন প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি।
দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকার অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে মতিঝিল এর পিডব্লিউডির কোয়াটার এর খালি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করে বিভিন্ন খাবার হোটেল মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের অগ্রিম জামানত নিয়ে বাবুর্চিদের থাকার জন্য ভাড়া দিয়ে রেখেছে  এবং ফুটপাতের জুতা দোকানদার ও কাপড় ব্যবসায়ীদের কাছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঘর গোডাউন ভাড়া দেওয়া আছে বাকি ঘর গুলো বসবাসের জন্য ভাড়া দিয়ে রেখেছেন শফিক,আব্দুল,ভানু গংরা।এই সকল বিষয়ে জানতে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগ ঢাকা এর নির্বাহী প্রকৌশলীর  মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কোনো প্রকার সাড়া পাওয়া যায় নাই।
(চলবে)