• শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্নীতি-লুটপাটের খবর উদ্ঘাটনে সাংবাদিকদের সক্ষমতা প্রমাণিত নিউইয়র্কে বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত নিউইয়র্কে সেইভ দ্য পিপল’র উদ্যোগে হালাল খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে মানবতা ও সমাজ কল্যাণে মানবিক সহায়তা ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে মানবতা ও সমাজ কল্যাণে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান ফেনীতে রিসাইক্লিং বিজনেস ইউনিটের উদ্বোধন ওয়েব সাইট চালাতে খরচ বাড়বে, কর অব্যাহতি চান ডোমেইন হোস্টিং ব্যবসায়ীরা ভূয়া জামিন নামায়, আসামির জামিন হলুদ সাংবাদিকদের হয়রানির শিকার নানান শ্রেনীপেশার মানুষ সালমান খানকে ফের হামলার পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ৪

সঠিক সময়ে বিয়ে করলে নগদ অর্থ পাবেন চীনা দম্পতিরা

অনলাইন ভার্সন
অনলাইন ভার্সন
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৩

সারাবিশ্ব ডেস্ক

তরুণ-তরুণীদের বিয়েতে উদ্বুদ্ধ করতে নানান উদ্যোগ

বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আর তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। ফলে তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে দেশটির সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এবার চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।

চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।

২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যায়; অপরদিকে বেড়ে যায় বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে চীন। এরপর জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

চীনের আইন অনুযায়ী দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। অপরদিকে মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। তবে এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।

২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।

শিশু লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে চীনে অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না|


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ