০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

কলাপাড়ায় রাতের আঁধারে সুইজগেট খুলে খালে লবণ পানি, ৪ শতাধিক কৃষক পরিবার পথে বসার শঙ্কা,,

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ১১:৪৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১৬৩

কলাপাড়ায় রাতের আঁধারে সুইজগেট খুলে খালে লবণ পানি, ৪ শতাধিক কৃষক পরিবার পথে বসার শঙ্কা

শতাধিক হাঁসের মৃত্যু, ফসল ও পানীয় জলে চরম সংকট

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: কলাপাড়া উপজেলার তিনটি গ্রামের চার শতাধিক কৃষক পরিবার চরম বিপাকে পড়েছেন। তাদের ব্যবহৃত জবান খাঁর খালে লবণ পানি প্রবেশ করায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ সংকট। খালের পানির ওপর নির্ভর করে কয়েকশ একর জমিতে বোরো ধান, তরমুজ, আলু, সরিষা, সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন সবজি আবাদ করা হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল রাতের আধারে চার ভেন্টের সুইজগেট খুলে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটিতে নদীর লবণ পানি ঢুকিয়ে দেয়। আগে খালের পানি মিষ্টি থাকলেও এখন তা এতটাই নোনা যে, সামান্য ছিটেফোঁটা গাছে লাগলেই গাছ মারা যাচ্ছে। ফলে কৃষকের সারা বছরের পরিশ্রমে গড়া ফসল হুমকির মুখে পড়েছে।

খালসংলগ্ন এলাকায় পানীয় ও ব্যবহার্য পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গবাদিপশুকে খাওয়ানোর মতো পানি নেই। হাঁস পালনও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। লবণ পানি পান করে ইতোমধ্যে শতাধিক হাঁস মারা গেছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। গরু-বাছুরকে বাঁচাতে পুকুর থেকে বালতিতে করে পানি এনে খাওয়াতে হচ্ছে।

মধুখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. মিজান রহমান জানান, হঠাৎ করে খালে লোনা পানি ঢুকে পড়ায় তার ২২টি হাঁস মারা গেছে। গরু-বাছুরও ওই পানি খেতে পারছে না। প্রতিদিন কয়েক দফা পুকুর থেকে পানি এনে পশুকে খাওয়াতে হচ্ছে।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল জানান, লবণ পানি ঠেকাতে সুইজগেটের সামনে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতের বেলা একটি কুচক্রী মহল বাঁধ কেটে দেওয়ায় লবণ পানি খালে ঢুকে পড়ে।

এ বিষয়ে কাউছার হামিদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত লবণ পানি অপসারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা না নিলে তাদের ফসল ও জীবিকা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

কলাপাড়ায় রাতের আঁধারে সুইজগেট খুলে খালে লবণ পানি, ৪ শতাধিক কৃষক পরিবার পথে বসার শঙ্কা,,

আপডেট: ১১:৪৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

কলাপাড়ায় রাতের আঁধারে সুইজগেট খুলে খালে লবণ পানি, ৪ শতাধিক কৃষক পরিবার পথে বসার শঙ্কা

শতাধিক হাঁসের মৃত্যু, ফসল ও পানীয় জলে চরম সংকট

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: কলাপাড়া উপজেলার তিনটি গ্রামের চার শতাধিক কৃষক পরিবার চরম বিপাকে পড়েছেন। তাদের ব্যবহৃত জবান খাঁর খালে লবণ পানি প্রবেশ করায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ সংকট। খালের পানির ওপর নির্ভর করে কয়েকশ একর জমিতে বোরো ধান, তরমুজ, আলু, সরিষা, সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন সবজি আবাদ করা হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল রাতের আধারে চার ভেন্টের সুইজগেট খুলে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটিতে নদীর লবণ পানি ঢুকিয়ে দেয়। আগে খালের পানি মিষ্টি থাকলেও এখন তা এতটাই নোনা যে, সামান্য ছিটেফোঁটা গাছে লাগলেই গাছ মারা যাচ্ছে। ফলে কৃষকের সারা বছরের পরিশ্রমে গড়া ফসল হুমকির মুখে পড়েছে।

খালসংলগ্ন এলাকায় পানীয় ও ব্যবহার্য পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গবাদিপশুকে খাওয়ানোর মতো পানি নেই। হাঁস পালনও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। লবণ পানি পান করে ইতোমধ্যে শতাধিক হাঁস মারা গেছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। গরু-বাছুরকে বাঁচাতে পুকুর থেকে বালতিতে করে পানি এনে খাওয়াতে হচ্ছে।

মধুখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. মিজান রহমান জানান, হঠাৎ করে খালে লোনা পানি ঢুকে পড়ায় তার ২২টি হাঁস মারা গেছে। গরু-বাছুরও ওই পানি খেতে পারছে না। প্রতিদিন কয়েক দফা পুকুর থেকে পানি এনে পশুকে খাওয়াতে হচ্ছে।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল জানান, লবণ পানি ঠেকাতে সুইজগেটের সামনে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতের বেলা একটি কুচক্রী মহল বাঁধ কেটে দেওয়ায় লবণ পানি খালে ঢুকে পড়ে।

এ বিষয়ে কাউছার হামিদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত লবণ পানি অপসারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা না নিলে তাদের ফসল ও জীবিকা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।