০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটে বিপণিবিতান গুললোতে জমে উঠেছে পূজার পোশাক ও প্রসাধনী গহনা কেনাকাটার ভির

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৯:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ০

সিলেটে বিপণিবিতান গুললোতে জমে উঠেছে পূজার পোশাক ও প্রসাধনী গহনা কেনাকাটার ভির
তপন কুমার সাহা

সিলেটে জমে উঠেছে দুর্গাপূজার কেনাকাটা। উৎসবের আমেজে নগরের বিপণিবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোয় বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দের পোশাক কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানে দোকানে ছুটছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকছে কেনাকাটা।

আগামি শুক্রবার ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ব্যস্ততাও তত বাড়ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) নগরের জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, জেলরোড, বারুতখানা, লামাবাজার ও মহাজনপট্টি এলাকার বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, মেয়েদের শাড়ি ও থ্রি-পিসের পাশাপাশি শিশুদের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশ। ক্রেতা টানতে অনেক দোকানে দেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।

ব্যবসায়ীরা জানান, মেয়েদের থ্রি-পিস ও শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিছু দামি শাড়ির মূল্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ছেলেদের পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়। এ ছাড়া জুতা, গয়না, প্রসাধনসামগ্রী ও থান কাপড়ের চাহিদাও রয়েছে।

পূজার শপিং নিয়ে সিলেট নগরীর দক্ষিন সুরমার ভার্থখলার বাসিন্দা ঐশী রানি সাহা বলেন পূজায় নতুন পোশাক পরার আনন্দটাই আলাদা। প্রতিবছরই নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক কেনার চেষ্টা করি। আমার সন্তানদের পোশাক এবারও কেনাকাটার তালিকায় শার্ট প্যান্ট কামিচ ও আমার পরিবারের সবার জন্য পূজার পোশাক কেনাকে প্রাধান্য দিচ্ছি।’বিশেষ করে আমার শশুর শাশুরীর জন্য ও আত্বীয় স্বজন প্রায় সবার জন্যই কাপর কেনাকাটা করেছি

তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পোশাক থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম বেশি। বাচ্চাদের জন্য প্যান্ট, শার্ট ও জুতা কিনেছি। এগুলোর দামও বেশি মনে হলো।’

নয়াসড়ক এলাকায় কেনাকাটা করতে আসা ইমা রায় বলেন, ‘দুটি আনরেডি থ্রি-পিস কিনেছি। দর্জির কাছে জামা তৈরির জন্য দিয়েছি। আজ দুই jবান্ধবীকে নিয়ে এসেছি একই রঙের পোশাক কিনতে। নবমীর দিন একই রঙের পোশাক পরে তিনজন মিলে নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরব।’

দোকানগুলোয় ছাড় থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার কিছু পোশাক কম দামে কেনা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জিন্দাবাজারের ব্যবসায়ী অলিউর রহমান বলেন, ‘দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার পূজার বাজার কেমন হবে, তা নিয়ে শুরুতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। সে কারণে অনেক ব্যবসায়ী সতর্কভাবে নতুন পোশাক তুলেছিলেন। তবে এখন ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। পূজা যত ঘনিয়ে আসছে, বিক্রিও তত বাড়ছে।’

সিলেটের নগরীর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরাসরি দোকানে কেনাকাটার পাশাপাশি অনলাইনেও পোশাক কিনছেন অনেকে। তবে শেষ মুহূর্তে সপিং গুলোতে কিছুটা ছাড় আছে

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

সিলেটে বিপণিবিতান গুললোতে জমে উঠেছে পূজার পোশাক ও প্রসাধনী গহনা কেনাকাটার ভির

আপডেট: ০৯:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটে বিপণিবিতান গুললোতে জমে উঠেছে পূজার পোশাক ও প্রসাধনী গহনা কেনাকাটার ভির
তপন কুমার সাহা

সিলেটে জমে উঠেছে দুর্গাপূজার কেনাকাটা। উৎসবের আমেজে নগরের বিপণিবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোয় বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দের পোশাক কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানে দোকানে ছুটছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকছে কেনাকাটা।

আগামি শুক্রবার ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ব্যস্ততাও তত বাড়ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) নগরের জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, জেলরোড, বারুতখানা, লামাবাজার ও মহাজনপট্টি এলাকার বিভিন্ন বিপণিবিতান ঘুরে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, মেয়েদের শাড়ি ও থ্রি-পিসের পাশাপাশি শিশুদের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশ। ক্রেতা টানতে অনেক দোকানে দেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়।

ব্যবসায়ীরা জানান, মেয়েদের থ্রি-পিস ও শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিছু দামি শাড়ির মূল্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ছেলেদের পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়। এ ছাড়া জুতা, গয়না, প্রসাধনসামগ্রী ও থান কাপড়ের চাহিদাও রয়েছে।

পূজার শপিং নিয়ে সিলেট নগরীর দক্ষিন সুরমার ভার্থখলার বাসিন্দা ঐশী রানি সাহা বলেন পূজায় নতুন পোশাক পরার আনন্দটাই আলাদা। প্রতিবছরই নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক কেনার চেষ্টা করি। আমার সন্তানদের পোশাক এবারও কেনাকাটার তালিকায় শার্ট প্যান্ট কামিচ ও আমার পরিবারের সবার জন্য পূজার পোশাক কেনাকে প্রাধান্য দিচ্ছি।’বিশেষ করে আমার শশুর শাশুরীর জন্য ও আত্বীয় স্বজন প্রায় সবার জন্যই কাপর কেনাকাটা করেছি

তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পোশাক থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম বেশি। বাচ্চাদের জন্য প্যান্ট, শার্ট ও জুতা কিনেছি। এগুলোর দামও বেশি মনে হলো।’

নয়াসড়ক এলাকায় কেনাকাটা করতে আসা ইমা রায় বলেন, ‘দুটি আনরেডি থ্রি-পিস কিনেছি। দর্জির কাছে জামা তৈরির জন্য দিয়েছি। আজ দুই jবান্ধবীকে নিয়ে এসেছি একই রঙের পোশাক কিনতে। নবমীর দিন একই রঙের পোশাক পরে তিনজন মিলে নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরব।’

দোকানগুলোয় ছাড় থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার কিছু পোশাক কম দামে কেনা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জিন্দাবাজারের ব্যবসায়ী অলিউর রহমান বলেন, ‘দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার পূজার বাজার কেমন হবে, তা নিয়ে শুরুতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। সে কারণে অনেক ব্যবসায়ী সতর্কভাবে নতুন পোশাক তুলেছিলেন। তবে এখন ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। পূজা যত ঘনিয়ে আসছে, বিক্রিও তত বাড়ছে।’

সিলেটের নগরীর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরাসরি দোকানে কেনাকাটার পাশাপাশি অনলাইনেও পোশাক কিনছেন অনেকে। তবে শেষ মুহূর্তে সপিং গুলোতে কিছুটা ছাড় আছে