১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি আনতে কাজ করছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. বজলুর রশীদ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ১০:২৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ০

 

স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি আনতে কাজ করছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. বজলুর রশীদ

জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয়

টি এম শওকত আলী মোস্তফা  : জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, স্বাস্থ্য খাতের সেবার মানোন্নয়ন এবং একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্য প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্বে যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করার প্রত্যয়ে কাজ করছেন তিনি।

ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ প্রশাসন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত কাজ করার সুবাদে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও জনসেবা প্রদানে তাঁর রয়েছে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা।

স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে সরকারি প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এর আগে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনের পাশাপাশি জনসেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে বিভাগীয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনা তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মাঠ প্রশাসনের বাস্তবতা, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং সরকারি সেবা প্রদানের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তাঁর রয়েছে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা। ফলে স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনে এ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

স্বাস্থ্য খাত মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং জনগণের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করা এবং সরকারের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মাঠ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণেও তাঁর অভিজ্ঞতা সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণ মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা। সেই সেবা যাতে দ্রুত, সহজে ও যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য প্রশাসনে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ আরও জোরদার হবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সংশ্লিষ্ট মহলের।

 

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি আনতে কাজ করছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. বজলুর রশীদ

আপডেট: ১০:২৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 

স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি আনতে কাজ করছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. বজলুর রশীদ

জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয়

টি এম শওকত আলী মোস্তফা  : জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, স্বাস্থ্য খাতের সেবার মানোন্নয়ন এবং একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্য প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্বে যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করার প্রত্যয়ে কাজ করছেন তিনি।

ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ প্রশাসন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত কাজ করার সুবাদে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও জনসেবা প্রদানে তাঁর রয়েছে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা।

স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে সরকারি প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এর আগে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনের পাশাপাশি জনসেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে বিভাগীয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনা তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মাঠ প্রশাসনের বাস্তবতা, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং সরকারি সেবা প্রদানের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তাঁর রয়েছে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা। ফলে স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনে এ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

স্বাস্থ্য খাত মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং জনগণের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করা এবং সরকারের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মাঠ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণেও তাঁর অভিজ্ঞতা সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণ মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা। সেই সেবা যাতে দ্রুত, সহজে ও যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য প্রশাসনে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ আরও জোরদার হবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সংশ্লিষ্ট মহলের।