১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

মাটিরাঙ্গায় বাজি ধরে দুই সন্তান ও সংসার ফেলে ‘প্রেমিকের হাত ধরে’ পালালেন গৃহবধূ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ১০:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • /

মাটিরাঙ্গায় বাজি ধরে দুই সন্তান ও সংসার ফেলে ‘প্রেমিকের হাত ধরে’ পালালেন গৃহবধূ

নিজস্ব প্রতিবেদক, (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ফুটবল ম্যাচ নিয়ে বাজি ধরে দুই অবুঝ সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে প্রেমিক রাকিবুল ইসলাম মুন্নার হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কবিতা ত্রিপুরা (২৬) নামের এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের অযোধ্যা এলাকার বাসিন্দা কবিতা ত্রিপুরা তার দুই শিশুপুত্রকে ঘরে রেখে গোপনে ঘর ছাড়েন। অভিযোগ রয়েছে, যাওয়ার সময় তিনি নগদ ৫০ হাজার টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ নিয়ে রাকিবুল ইসলাম মুন্নার সঙ্গে কবিতার দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে তারা একটি অদ্ভুত বাজি ধরেন। বাজির শর্ত ছিল, খেলায় ইংল্যান্ড হেরে গেলে কবিতা তার স্বামী-সংসার ছেড়ে মুন্নাকে বিয়ে করবেন। সেই শর্ত অনুযায়ী বাজি হেরে ভোর ৪টার দিকে তিনি সন্তানদের ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কবিতার স্বামী জীবিকার তাগিদে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে মাটিরাঙ্গার স্থানীয় যুবক রাকিবুল ইসলাম মুন্নার সঙ্গে কবিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

নিখোঁজ কবিতার বাড়ি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার নুনছড়ি দেবতাপুকুর এলাকায়। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি তার স্ত্রী ও সন্তানদের উদ্ধারের জন্য মাটিরাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং তাদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

বর্তমানে এলাকাতে এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। অবুঝ শিশুদের এমন অসহায় অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মাটিরাঙ্গায় বাজি ধরে দুই সন্তান ও সংসার ফেলে ‘প্রেমিকের হাত ধরে’ পালালেন গৃহবধূ

আপডেট: ১০:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

মাটিরাঙ্গায় বাজি ধরে দুই সন্তান ও সংসার ফেলে ‘প্রেমিকের হাত ধরে’ পালালেন গৃহবধূ

নিজস্ব প্রতিবেদক, (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ফুটবল ম্যাচ নিয়ে বাজি ধরে দুই অবুঝ সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে প্রেমিক রাকিবুল ইসলাম মুন্নার হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কবিতা ত্রিপুরা (২৬) নামের এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের অযোধ্যা এলাকার বাসিন্দা কবিতা ত্রিপুরা তার দুই শিশুপুত্রকে ঘরে রেখে গোপনে ঘর ছাড়েন। অভিযোগ রয়েছে, যাওয়ার সময় তিনি নগদ ৫০ হাজার টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ নিয়ে রাকিবুল ইসলাম মুন্নার সঙ্গে কবিতার দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে তারা একটি অদ্ভুত বাজি ধরেন। বাজির শর্ত ছিল, খেলায় ইংল্যান্ড হেরে গেলে কবিতা তার স্বামী-সংসার ছেড়ে মুন্নাকে বিয়ে করবেন। সেই শর্ত অনুযায়ী বাজি হেরে ভোর ৪টার দিকে তিনি সন্তানদের ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কবিতার স্বামী জীবিকার তাগিদে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে মাটিরাঙ্গার স্থানীয় যুবক রাকিবুল ইসলাম মুন্নার সঙ্গে কবিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।

নিখোঁজ কবিতার বাড়ি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার নুনছড়ি দেবতাপুকুর এলাকায়। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি তার স্ত্রী ও সন্তানদের উদ্ধারের জন্য মাটিরাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং তাদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

বর্তমানে এলাকাতে এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। অবুঝ শিশুদের এমন অসহায় অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।