সর্বোচ্চ যাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হলেন ফরিদা খানম
- আপডেট: ১২:৩১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
- / ১
সর্বোচ্চ যাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হলেন ফরিদা খানম
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ যাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক ও বর্তমান ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যাকাত তহবিল বিভাগের সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নেতৃত্বে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ যাকাত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এ অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনসম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সমন্বয় সভা এবং যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এসব উদ্যোগের ফলে যাকাত তহবিলে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সংগ্রহের পরিমাণও আশানুরূপভাবে বেড়ে যায়।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যাকাত তহবিল বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার যাকাত সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনা করে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যাকাতভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সফল উদ্যোগ দেশের অন্যান্য জেলার জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।
বর্তমানে মিজ ফরিদা খানম ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনিক দক্ষতা, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ যাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে তার এই অর্জন সরকারি যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে যাকাত তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাতের অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই অর্জন আমাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাব।”



















