০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

আবহাওয়া অনুকূলে, লিচুর বাম্পার ফলনে কয়েক কোটি টাকার সম্ভাবনা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৮:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • /

আবহাওয়া অনুকূলে, লিচুর বাম্পার ফলনে কয়েক কোটি টাকার সম্ভাবনা

বিশ্বজিৎ কর ( মৌলভীবাজার প্রতিনিধি )

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পাহার বর্ষিজোড়ায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাহাড়-টিলা আর সমতল ভূমিতে এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় উন্নত জাতের রসালো লিচু গাছে গাছে ঝুলছে। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে উঠেছে ফলটি, চাহিদা থাকায় কেনাবেচাও জমে উঠেছে।

পাহাড়-টিলায় সারি সারি লিচুগাছ। কোথাও বাড়ির আঙিনাজুড়ে ১০-১২ ফুট উঁচু গাছ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে। গাছে অসংখ্য পাকা লিচু নামাতে ব্যস্ত চাষিরা। ভোর না হতেই বাগানে বাগানে জড়ো হচ্ছেন পাইকাররা।

কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, এ বছর জেলার ১৩০টি বাগানের ২৫২ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। উৎপাদন ১ হাজার ৯৪৫ মেট্রিক টন। এ বছর লিচু বিক্রি থেকে কয়েক কোটি টাকা আয় হবে চাষিদের। মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় সব উপজেলাতেই কমবেশি লিচু চাষ হয়েছে।

সদর উপজেলায় বর্ষিজুড়া, জগন্নাথপুর, শ্যামেরকোনা, কাগাবলা ছাড়াও কুলাউড়া, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের পাহাড়-টিলায় ভালো ফলন হয়েছে। স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারী-২, বারী-৩ ও বোম্বাই জাতের লিচুও আছে, তবে পরিমাণে কম।

বর্ষিজুড়ার চাষি আব্দুল মুহিব বলেন, “এবারও ফলন ভালো। আগে বাগান পাইকারের কাছে বিক্রি করতাম, এবার নিজেরাই বিক্রি করছি। প্রতিদিন পাইকার আসছে, দামও ভালো পাচ্ছি।” পাইকার রামলাল ১৫ হাজার টাকায় ছোট বাগান কিনে লিচু নামাচ্ছেন। তবে অতিবৃষ্টি আর বন্যপ্রাণীর আক্রমণের আশঙ্কা করছেন তিনি।

এখন মৌলভীবাজার শহরেই প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার লিচু বিক্রি হচ্ছে। একশ লিচু ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বন্যপ্রাণী ও বৃষ্টির কারণে অনেকে আগেভাগেই লিচু বিক্রি করেছেন ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, মাঠপর্যায়ে তদারকি ও পোকামাকড় দমনে সময়মতো পরামর্শ দেওয়ায় ভালো ফলন এসেছে। মাটি-আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় লিচু চাষ সম্প্রসারণে চাষিদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ছবি : পাতা-ডালসহ স্তূপ হয়ে আছে গাঢ় লাল পাকা লিচু। পরিবারের সবাই মিলে নেমেছে বাগানের কাজে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

আবহাওয়া অনুকূলে, লিচুর বাম্পার ফলনে কয়েক কোটি টাকার সম্ভাবনা

আপডেট: ০৮:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

আবহাওয়া অনুকূলে, লিচুর বাম্পার ফলনে কয়েক কোটি টাকার সম্ভাবনা

বিশ্বজিৎ কর ( মৌলভীবাজার প্রতিনিধি )

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পাহার বর্ষিজোড়ায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাহাড়-টিলা আর সমতল ভূমিতে এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় উন্নত জাতের রসালো লিচু গাছে গাছে ঝুলছে। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে উঠেছে ফলটি, চাহিদা থাকায় কেনাবেচাও জমে উঠেছে।

পাহাড়-টিলায় সারি সারি লিচুগাছ। কোথাও বাড়ির আঙিনাজুড়ে ১০-১২ ফুট উঁচু গাছ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে। গাছে অসংখ্য পাকা লিচু নামাতে ব্যস্ত চাষিরা। ভোর না হতেই বাগানে বাগানে জড়ো হচ্ছেন পাইকাররা।

কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, এ বছর জেলার ১৩০টি বাগানের ২৫২ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। উৎপাদন ১ হাজার ৯৪৫ মেট্রিক টন। এ বছর লিচু বিক্রি থেকে কয়েক কোটি টাকা আয় হবে চাষিদের। মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় সব উপজেলাতেই কমবেশি লিচু চাষ হয়েছে।

সদর উপজেলায় বর্ষিজুড়া, জগন্নাথপুর, শ্যামেরকোনা, কাগাবলা ছাড়াও কুলাউড়া, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের পাহাড়-টিলায় ভালো ফলন হয়েছে। স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারী-২, বারী-৩ ও বোম্বাই জাতের লিচুও আছে, তবে পরিমাণে কম।

বর্ষিজুড়ার চাষি আব্দুল মুহিব বলেন, “এবারও ফলন ভালো। আগে বাগান পাইকারের কাছে বিক্রি করতাম, এবার নিজেরাই বিক্রি করছি। প্রতিদিন পাইকার আসছে, দামও ভালো পাচ্ছি।” পাইকার রামলাল ১৫ হাজার টাকায় ছোট বাগান কিনে লিচু নামাচ্ছেন। তবে অতিবৃষ্টি আর বন্যপ্রাণীর আক্রমণের আশঙ্কা করছেন তিনি।

এখন মৌলভীবাজার শহরেই প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার লিচু বিক্রি হচ্ছে। একশ লিচু ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বন্যপ্রাণী ও বৃষ্টির কারণে অনেকে আগেভাগেই লিচু বিক্রি করেছেন ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, মাঠপর্যায়ে তদারকি ও পোকামাকড় দমনে সময়মতো পরামর্শ দেওয়ায় ভালো ফলন এসেছে। মাটি-আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় লিচু চাষ সম্প্রসারণে চাষিদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ছবি : পাতা-ডালসহ স্তূপ হয়ে আছে গাঢ় লাল পাকা লিচু। পরিবারের সবাই মিলে নেমেছে বাগানের কাজে।