০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

শিবির-সংশ্লিষ্ট কর্মী কাওসার আহমাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে নিয়ে মানহানির অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৫:১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • /

শিবির-সংশ্লিষ্ট কর্মী কাওসার আহমাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে নিয়ে মানহানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত বলে পরিচিত কাওসার আহমাদকে আসামি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে অনলাইনে মানহানিকর অসত্য বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ঢাকায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, কাওসার আহমাদ তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট এবং টুইটার/এক্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একাধিক পোস্ট, মন্তব্য ও লেখার মাধ্যমে উল্লিখিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ, অসত্য ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিএনপি সমর্থক ইউসুফ কাউসার গত ১৬ জুন ঢাকা মহানগরের মুখ্য হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. এহসানুল ইসলামের ৮নং আদালতে  উপস্থাপন করা হলে আদালত তা আমলে নিয়ে সি.আর.৬৩০/২০২৬ রেফারেন্সে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ফৌজদারী দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর  ৫০০, ৫০১, ৫০৪, ৫০৫ এবং ৫০৫(ক) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার মোহাম্মদপুর থানাকে দেওয়া হয়েছে এবং আগামী আগামী ১৬ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, অভিযুক্তের প্রকাশিত বক্তব্যসমূহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং এর ফলে বিভ্রান্তি ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট বক্তব্যগুলো কেবল রাজনৈতিক সমালোচনা নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যক্তি ও পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কাওসার আহমাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর অবস্থান এখনো প্রকাশ্যে জানা যায়নি।
আইনজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মামলায় আদালতের কাছে মূল প্রশ্ন হবে অভিযুক্তের প্রকাশিত বক্তব্যগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতায় পড়ে কি না, নাকি তা আইনগতভাবে মানহানিকর ও দণ্ডনীয় বক্তব্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিষয়টি এখন তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

শিবির-সংশ্লিষ্ট কর্মী কাওসার আহমাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে নিয়ে মানহানির অভিযোগ

আপডেট: ০৫:১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শিবির-সংশ্লিষ্ট কর্মী কাওসার আহমাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে নিয়ে মানহানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত বলে পরিচিত কাওসার আহমাদকে আসামি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে অনলাইনে মানহানিকর অসত্য বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ঢাকায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, কাওসার আহমাদ তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট এবং টুইটার/এক্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একাধিক পোস্ট, মন্তব্য ও লেখার মাধ্যমে উল্লিখিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ, অসত্য ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিএনপি সমর্থক ইউসুফ কাউসার গত ১৬ জুন ঢাকা মহানগরের মুখ্য হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. এহসানুল ইসলামের ৮নং আদালতে  উপস্থাপন করা হলে আদালত তা আমলে নিয়ে সি.আর.৬৩০/২০২৬ রেফারেন্সে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ফৌজদারী দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর  ৫০০, ৫০১, ৫০৪, ৫০৫ এবং ৫০৫(ক) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার মোহাম্মদপুর থানাকে দেওয়া হয়েছে এবং আগামী আগামী ১৬ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, অভিযুক্তের প্রকাশিত বক্তব্যসমূহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং এর ফলে বিভ্রান্তি ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট বক্তব্যগুলো কেবল রাজনৈতিক সমালোচনা নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যক্তি ও পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কাওসার আহমাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর অবস্থান এখনো প্রকাশ্যে জানা যায়নি।
আইনজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মামলায় আদালতের কাছে মূল প্রশ্ন হবে অভিযুক্তের প্রকাশিত বক্তব্যগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতায় পড়ে কি না, নাকি তা আইনগতভাবে মানহানিকর ও দণ্ডনীয় বক্তব্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিষয়টি এখন তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হবে।