০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গুইমারায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৯:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • /

গুইমারায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

মোঃ রবিউল ইসলাম, (খাগড়াছড়ি) সংবাদদাতা::

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী চলমান ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি-২০২৬’-এর আওতায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার তৈইমাতাই ও পিলাক খালের পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে তিনি উপজেলার বাইল্যাছড়ি জোড়াব্রিজ এলাকা সংলগ্ন তৈইমাতাই খাল এবং পরবর্তীতে জালিয়াপাড়াস্থ পিলাক খালের চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পে মোট ৯.১ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পিলাক খালটি পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এখানে ৪১৬ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন।
তৈইমাতাই খাল” ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের পুনঃখনন কাজে ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং এতে ৩৫৭ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

প্রকল্পটিতে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মরত প্রতিটি শ্রমিক দৈনিক ৫০০ টাকা হারে মজুরি পাচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং কৃষিখাতে সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আরও সচল হবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না, গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহম্মেদ, গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্মল নারায়ণ ত্রিপুরা, হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংগ্যজাই মারমা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

গুইমারায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

আপডেট: ০৯:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গুইমারায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

মোঃ রবিউল ইসলাম, (খাগড়াছড়ি) সংবাদদাতা::

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী চলমান ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি-২০২৬’-এর আওতায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার তৈইমাতাই ও পিলাক খালের পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে তিনি উপজেলার বাইল্যাছড়ি জোড়াব্রিজ এলাকা সংলগ্ন তৈইমাতাই খাল এবং পরবর্তীতে জালিয়াপাড়াস্থ পিলাক খালের চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পুরো প্রকল্পে মোট ৯.১ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পিলাক খালটি পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এখানে ৪১৬ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন।
তৈইমাতাই খাল” ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের পুনঃখনন কাজে ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং এতে ৩৫৭ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

প্রকল্পটিতে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মরত প্রতিটি শ্রমিক দৈনিক ৫০০ টাকা হারে মজুরি পাচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং কৃষিখাতে সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আরও সচল হবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না, গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহম্মেদ, গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্মল নারায়ণ ত্রিপুরা, হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংগ্যজাই মারমা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।