সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।
- আপডেট: ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
- / ১২০
সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।
এসএম উজ্জ্বল হোসেনঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের পানগাওঁ এলাকার আইন্তা নামক গ্রামে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।
২১শে মে ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের সময় ভুক্তভোগীর বাড়ির গাছের আম প্রতিবেশী রুবেল গং অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যায়। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী হয়ে মেহরাবের শারীরে কিল ঘুসি লাথির আঘাত করে।
বিষয়টি মা মিনা বেগম ও পিতা মোস্তফা মিয়ার কাছে টেলিফোন মারফত জানালে তাৎক্ষণিক তারা তাদের কাছের মানুষ ও সাংবাদিকদের অবগত করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিকরা দেখতে পায় রুবেল ও তার ভাই রুমেল দেশীয় অস্ত্র কোদাল নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা করেন। রুবেল গং উচ্চস্বরে গালিগালাজ হুমকি ধামকি দিয়েই যাচ্ছিলেন।
এমতাবস্থায় সাংবাদিকরা হামলাকারীদের থামাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জানায় তাদের আইজি ডিআইজি বড় চ্যানেলের সাংবাদিক রয়েছে বিধায় তাদের কিছুই করার ক্ষমতা কারো নেই।
অভিযুক্ত দুই ভাই রুবেল ও রুমেল সহ তাদের পরিবারের সদস্যরা সংঘবদ্ধভাবে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে গিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ইট দিয়ে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালায়।
এঘটনায় এলাকার নেতা সেলিম রেজার বাঁধার মুখে পড়ে থামতে বাধ্য হলেও অকথ্য গালিগালাজ চালিয়ে যেতে থাকে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা পুলিশ আসার জন্য খবর দেয়। পুলিশের এসআই হারুনুর রশিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীর বাড়িতে প্রবেশ করতেই রুবেল ও রুমেল ওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশের বরাত দিয়ে জানানাে হয় পরবর্তীতে এমন কাজ করলে ছাড় দেয়া হবেনা। এসব কথা শুনে রুবেলের স্ত্রী জানায় আমার স্বামী একজন পাগল এমন কাজ আর কখনো হবেনা বলে অঙ্গীকার করেন।
এলাকা সুত্রে জানাযায় রুবেলের পিতা আমানউল্লাহ একজন আওয়ামী পন্থি মেম্বার ছিলেন, রুবেলের মামাতো ভাই কুন্ডা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হারুন তার দাপট দেখিয়ে অভিযুক্ত রুবেল গং দীর্ঘ ১৭ বছর ধরাকে সরাজ্ঞান করে এলাকার মানুষের অনেক ক্ষতি করেছে।
এলাকার চেয়ারম্যানকে পর্যন্ত রুবেল গং কখনো মান্য করেনি বরং সবার সাথে ক্ষিপ্ত আচরণ করেছে। যে কারনে তাদের কেউ ভালো চোখে দেখেনা।
এলাকা সুত্রে জানাযায়
অভিযুক্ত আমানউল্লার পরিবার ছিলো আওয়ামীলীগের দোসর, এখনো পূর্বের মতোই তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে পরিবারটি। বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগের সাঙ্গপাঙ্গরা পালিয়ে গেলেও দুই একটা দালাল পূর্বের আচরণে ফিরে এসেছে।
ভুক্তভোগী মিনা বেগম বলেন তাদের বসত বাড়ির জমি কেনার ৮ বছর পর আমানউল্লাহ জমি ক্রয় করেছে। ক্রয়কৃত জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা করেন, যা এখনো চলামান রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া সত্বেও মাঝে মধ্যেই জমির মালিকানা দাবি করে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়।
মিনা বেগম একজন স্কুল শিক্ষিকা তিনি জানায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। পারিবারিক বিরোধের অবসান ও নিরাপত্তার নিমিত্তে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সংক্রান্ত নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় মিনা বেগম থানায় উপস্থিত হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।





















