০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

যুব উন্নয়নের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ,,

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৯:২৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৭৭

যুব উন্নয়নের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বণ্টন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে তিনি ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৫ শতাংশ হারে ঘুষ নিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে অধিদপ্তরের মোট ২২টি কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এসব কাজের মধ্যে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে মোহাম্মদ মামুন অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়, কাজ বণ্টনের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে মোহাম্মদ বারিকের প্রতিষ্ঠান “নেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল”, যারা একাই ৯টি কাজ পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আবুল কালাম আজাদ এন্টারপ্রাইজ, পেয়েছে ৫টি কাজ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন মহিউদ্দিন মহারাজ, যিনি আরও ৫টি কাজ নিয়েছেন। আর চতুর্থ স্থানে “হায়দার এন্ড সাম্স” নামে একটি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে ৩টি কাজ।

এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার মামুনের কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবুও অভিযোগ রয়েছে, ঘুষের টাকা পরিশোধের পরই তিনি সংশ্লিষ্ট চেক হস্তান্তর করেছেন।

এই ঘটনায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মামুন বা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

যুব উন্নয়নের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ,,

আপডেট: ০৯:২৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

যুব উন্নয়নের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মামুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বণ্টন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে তিনি ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৫ শতাংশ হারে ঘুষ নিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে অধিদপ্তরের মোট ২২টি কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এসব কাজের মধ্যে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে মোহাম্মদ মামুন অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়, কাজ বণ্টনের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে মোহাম্মদ বারিকের প্রতিষ্ঠান “নেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল”, যারা একাই ৯টি কাজ পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আবুল কালাম আজাদ এন্টারপ্রাইজ, পেয়েছে ৫টি কাজ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন মহিউদ্দিন মহারাজ, যিনি আরও ৫টি কাজ নিয়েছেন। আর চতুর্থ স্থানে “হায়দার এন্ড সাম্স” নামে একটি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে ৩টি কাজ।

এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার মামুনের কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবুও অভিযোগ রয়েছে, ঘুষের টাকা পরিশোধের পরই তিনি সংশ্লিষ্ট চেক হস্তান্তর করেছেন।

এই ঘটনায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মামুন বা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।