০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কেচি দিয়ে হামলা, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ—যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতার আত্মীয় অভিযুক্ত, হাসপাতালে স্বজনদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৬:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • /

 

কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কেচি দিয়ে হামলা, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ—যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতার আত্মীয় অভিযুক্ত, হাসপাতালে স্বজনদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

**কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:**
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুছা হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির ওপর চুল কাটার কেচি দিয়ে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আলোচিত হত্যা মামলার আসামি ও সদ্য ৫ নং নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল থেকে বহিষ্কৃত, প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরের বড় ভাইয়ের ছেলে সবুজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

ঘটনাটি উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে রবিবার বেলা ১২টার দিকে ঘটে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুছাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আহত মুছা হাওলাদার কুমিরমারা গ্রামের আ. রহিম হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় মস্তফাপুর গ্রামের আ. রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে সবুজ ও সুমনকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

আহতের বড় ভাই সোহেল হাওলাদার জানান, মুছা চুল কাটানোর জন্য পাখিমারা বাজারে নিজামের সেলুনে গেলে সেখানে সবুজের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সবুজ ও সুমন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যা করার উদ্দেশ্যে মুছার পেটে কেচি দিয়ে আঘাত করা হলে মুছা হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে কেচিটি তার হাত ভেদ করে এপাশ থেকে ওপাশে ঢুকে যায়।

এদিকে, আহত মুছার মা ও বড় বোন হাসপাতালে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তারা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ১০-১২ জন এসে তাকে মারধর করে এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মুছার হাতে কেচি ঢুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কেচি দিয়ে হামলা, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ—যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতার আত্মীয় অভিযুক্ত, হাসপাতালে স্বজনদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

আপডেট: ০৬:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

 

কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কেচি দিয়ে হামলা, হত্যা চেষ্টার অভিযোগ—যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতার আত্মীয় অভিযুক্ত, হাসপাতালে স্বজনদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

**কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:**
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুছা হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির ওপর চুল কাটার কেচি দিয়ে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আলোচিত হত্যা মামলার আসামি ও সদ্য ৫ নং নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল থেকে বহিষ্কৃত, প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরের বড় ভাইয়ের ছেলে সবুজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

ঘটনাটি উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে রবিবার বেলা ১২টার দিকে ঘটে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুছাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আহত মুছা হাওলাদার কুমিরমারা গ্রামের আ. রহিম হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় মস্তফাপুর গ্রামের আ. রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে সবুজ ও সুমনকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

আহতের বড় ভাই সোহেল হাওলাদার জানান, মুছা চুল কাটানোর জন্য পাখিমারা বাজারে নিজামের সেলুনে গেলে সেখানে সবুজের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সবুজ ও সুমন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যা করার উদ্দেশ্যে মুছার পেটে কেচি দিয়ে আঘাত করা হলে মুছা হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে কেচিটি তার হাত ভেদ করে এপাশ থেকে ওপাশে ঢুকে যায়।

এদিকে, আহত মুছার মা ও বড় বোন হাসপাতালে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তারা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ১০-১২ জন এসে তাকে মারধর করে এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মুছার হাতে কেচি ঢুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।