• বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল স্পেন ও নরওয়ে আরো ৩ উপজেলার ভোট স্থগিত: ইসি ঘূর্ণিঝড় রেমাল তান্ডবে দেড় কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী রেমাল তান্ডব: ১৯ টি উপজেলা ভোটগ্রহন স্থগিত: ইসি ঘূর্ণিঝড় রিমাল: জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় রেমাল: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত জানালেন শিক্ষামন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ডকুমেন্টারি ‘কলকাতায় মুজিব’ এর খসড়া কপি অবলোকন প্রধানমন্ত্রীর আনার হত্যা: কলকাতায় গিয়ে যা জানালো ডিবিপ্রধান স্বর্ণ খোঁজা ঠাকুরগাঁওয়ের সেই ইটভাটায় ১৪৪ ধারা জারি

নারী কর কর্মকর্তাকে অপহরণের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ভার্সন
অনলাইন ভার্সন
আপডেটঃ : শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক নারী যুগ্ম কমিশনারকে (৪৯) অপহরণের পর নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি মাসুদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার দিবাগত রাতে তাদের গাজীপুরের শ্রীপুর ও রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাবের একটি দল। র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ (শনিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট রাত ৮টার দিকে মাইক্রোবাসে করে মগবাজার থেকে সিদ্ধেশ্বরীর বাসায় ফেরার সময় যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার ওই নারী কর কর্মকর্তার মাইক্রোবাস থামিয়ে কয়েকজন মিলে চালককে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে গাড়ি থেকে চালককে নামিয়ে মাইক্রোবাসসহ ওই নারীকে অপহরণ করা হয়।

এরপর ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ ছিল না। পরদিন দুপুর ২টার দিকে ওই নারী কৌশলে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার শুরু করলে ঢাকার সবুজবাগ এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ও তিন অপহরণকারীকে আটক করে।

যখন ওই নারী কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়, তখন তার একটি পা ভাঙা, চোখে ও মাথায় মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তিনি এখন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় ঢাকার রমনা থানায় চারজনের নাম উল্লেখ একটি অপহরণ মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে মো. মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে, যিনি জুলাই মাসে ওই নারীর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ছিলেন। আগস্ট মাসের ১ তারিখে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

ওই নারী কর কর্মকর্তা বলেন, অপহরণকারীরা তার কাছে কোনো মুক্তিপণ চাননি। অপহরণকারীদের মধ্যে শুধু মাসুদকে তিনি চিনতে পেরেছেন। ২০-২৫ দিন কাজ করার পর তাকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন। অপহরণের পর নির্মম নির্যাতনের সময় মাসুদ বারবার তাকে চাকরিচ্যুত করার কারণে ক্ষোভের কথাই বলছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ