• শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্নীতি-লুটপাটের খবর উদ্ঘাটনে সাংবাদিকদের সক্ষমতা প্রমাণিত নিউইয়র্কে বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত নিউইয়র্কে সেইভ দ্য পিপল’র উদ্যোগে হালাল খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে মানবতা ও সমাজ কল্যাণে মানবিক সহায়তা ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে মানবতা ও সমাজ কল্যাণে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান ফেনীতে রিসাইক্লিং বিজনেস ইউনিটের উদ্বোধন ওয়েব সাইট চালাতে খরচ বাড়বে, কর অব্যাহতি চান ডোমেইন হোস্টিং ব্যবসায়ীরা ভূয়া জামিন নামায়, আসামির জামিন হলুদ সাংবাদিকদের হয়রানির শিকার নানান শ্রেনীপেশার মানুষ সালমান খানকে ফের হামলার পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ৪

মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার সাথে ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধার

অনলাইন ভার্সন
অনলাইন ভার্সন
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের টাকা ডাকাতির ঘটনায় নতুন করে আরও ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ।

পুলিশ জানিয়েছে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের টাকা ডাকাতির ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে ডাকাতির ঘটনায় ৭ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হারুন অর রশীদ জানান, গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে আকাশ নামে একজনকে কিছুক্ষণ আগে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তার কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করা হয়েছে কিনা সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি হারুন।

ডিবি প্রধান বলেন, আকাশ টাকা লুটের মূল পরিকল্পনাকারীদের একজন। গতকাল ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তি থেকে হৃদয় নামে একজনকে গ্রেফতারের পর ৪৮ লাখ ৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে নেত্রকোণা থেকে গ্রেফতার করা হয় নীরব নামে একজনকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে আরও ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে সব মিলে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাকা উদ্ধার করা হয়েছে ৭ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

এ ঘটনার আরও একজন পরিকল্পনাকারী হলেন সোহেল রানা। তাকে গ্রেফতার করা না গেলেও তিনি ডিবির জালে আছেন।

রাজধানীর উত্তরায় প্রকাশ্যে গত বৃহস্পতিবার সকালে বেসরকারি ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের একটি গাড়ি থেকে সোয়া ১১ কোটি টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে ডাকাতেরা।

হারুন জানান, এ ঘটনায় ডিবি ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

এই ঘটনায় গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগ গত ১২ মার্চ পর্যন্ত ২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা উদ্ধার করে ৮ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই ঘটনার বাস্তবায়নে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন গ্রুপ ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। কেউ ছিল পরিকল্পনাকারী, কেউ মোবাইল ও সিম সংগ্রহকারী, কেউ শুধুমাত্র ঘটনার সময় ভাড়াটে হিসেবে কাজ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ