১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা: দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্পে জোর সরকারের

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৯:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • /

গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা: দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্পে জোর সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক 
গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। দুর্নীতিকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আলোচনায় রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন গ্রামীণ সড়কের বেহাল চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমে অনেক এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং চরাঞ্চলের কৃষকরা সময়মতো পণ্য বাজারজাত করতে পারেন না।

তিনি জানান, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলায় অধিকাংশ সড়ক এখনো কাঁচা। পুরো এলাকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাস্তা পাকাকরণের বাইরে রয়েছে, যা স্থানীয় উন্নয়নের বড় প্রতিবন্ধক।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে উন্নয়নের নামে নেওয়া অনেক প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক বরাদ্দের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে সরে এসে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দুর্নীতিমুক্তভাবে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট উন্নয়ন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব কাঁচা রাস্তা পাকা করা হবে।”

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আলীম-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, অতীতে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের কারণে অনেক সড়কের উন্নয়ন থমকে ছিল। এখন সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই অধিবেশনে রাজধানী ঢাকা মহানগরের সড়কের নামকরণ নিয়েও তথ্য দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে ১২১টি সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন আন্দোলনের শহীদদের নামে রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জরুরি সেবাপ্রাপ্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা: দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্পে জোর সরকারের

আপডেট: ০৯:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন দিকনির্দেশনা: দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্পে জোর সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক 
গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। দুর্নীতিকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আলোচনায় রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন গ্রামীণ সড়কের বেহাল চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমে অনেক এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং চরাঞ্চলের কৃষকরা সময়মতো পণ্য বাজারজাত করতে পারেন না।

তিনি জানান, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলায় অধিকাংশ সড়ক এখনো কাঁচা। পুরো এলাকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাস্তা পাকাকরণের বাইরে রয়েছে, যা স্থানীয় উন্নয়নের বড় প্রতিবন্ধক।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে উন্নয়নের নামে নেওয়া অনেক প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক বরাদ্দের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে সরে এসে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দুর্নীতিমুক্তভাবে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট উন্নয়ন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব কাঁচা রাস্তা পাকা করা হবে।”

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আলীম-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, অতীতে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের কারণে অনেক সড়কের উন্নয়ন থমকে ছিল। এখন সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই অধিবেশনে রাজধানী ঢাকা মহানগরের সড়কের নামকরণ নিয়েও তথ্য দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে ১২১টি সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন আন্দোলনের শহীদদের নামে রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জরুরি সেবাপ্রাপ্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।