১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

কড়াইল বস্তিতে আধিপত্যের যুদ্ধে ওরা চ্যাম্পিয়ন! অপকর্ম আড়ালে দলীয় সাইনবোর্ড অন্যতম হাতিয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ১২:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • /

কড়াইল বস্তিতে আধিপত্যের যুদ্ধে ওরা চ্যাম্পিয়ন!
অপকর্ম আড়ালে দলীয় সাইনবোর্ড অন্যতম হাতিয়ার
—————-
হাবিব সরকার স্বাধীন /

বনানীর কড়াইল বস্তিতে চাঁদাবাজি, দখল ও মাদকের অভিযোগ:আতঙ্কে বাসিন্দারা।
রাজধানীর ঢাকার গুলশান, বনানী, টিএন্ডটি ও কড়াইল বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, দখল ও অবৈধ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৬ বছর ধরে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে মার্কেট বসানো, ঘর দখল, ঘর কেনাবেচায় কমিশন, অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ এবং পানি-বিদ্যুৎ খাতে নিয়মিত অর্থ আদায় করে আসছিল।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে ওই গোষ্ঠীর কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা এলাকা ছাড়েন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এতে দুর্ভোগ কমেনি। বরং আগের মতোই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ নিতে হচ্ছে, এমনকি চাঁদার হারও বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আগের প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কিছু অনুসারী এখন নিজেদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মী পরিচয় দিয়ে নতুন করে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

বিশাল বস্তি, তীব্র প্রভাব বিস্তারের লড়াই
কড়াইল বস্তি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন। প্রায় ৯৫ একর সরকারি জমির ওপর গড়ে ওঠা এই বস্তিতে আনুমানিক ৭০ হাজার ঘর রয়েছে, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার বসবাস করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলতলা, এরশাদনগর, আদর্শনগর, বেদে বস্তি ও ওয়ালভাঙা বস্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির ভেতরেই একাধিক গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা চলছে। গত ২২ জানুয়ারি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় বনানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিপক্ষ থানার সামনে বিক্ষোভ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি, বস্তির জামাই বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন শাহজাহান নামে এক বিএনপি নেতা। এছাড়া মোকলেস, শাহ আলম, বিপ্লব ও গিয়াস উদ্দিনের নামও বাজার ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

পানি ব্যবসার সঙ্গে বৌবাজারের বিলাল হোসেন, রোকেয়া সরকার ও আমেনা বেগমের নাম স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

জামাই বাজার দখল নিয়ে রতন, কানন, মোকলেস ও বিপ্লবের নামও স্থানীয়দের আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে কুমিল্লা পট্টি নিয়ন্ত্রণ করছেন নজরুল গং। এছাড়া আমজাদ (১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল) ও সোলমান (সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়দানকারী) এলাকাজুড়ে প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মোশার বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আরও কয়েকজনের নাম আলোচিত। এর মধ্যে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ এবং ৬ নম্বর বাবুর ভাই হিসেবে পরিচিত টুটুলের নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্তমানে টুটুল বিএনপি নেতা হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কড়াইল বস্তির বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চলছে। মাটির রাস্তা, কুমিল্লা পট্টি, বেলতলা, ভাঙা অল, স্যাটেলাইট ব্রিজপাড় ও বেদে বস্তি এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিলেও কড়াইল এলাকায় এখনো তেমন কোনো কার্যকর অভিযান চোখে পড়েনি। ফলে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে কোনো ভয়ের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, শাহিন, পলাশ, শিমুল (পকেটমার শিমুল নামে পরিচিত) এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। খলিল, মন্টু ও তার ছেলে পলাশ ও সাগরের নামও বিভিন্ন অভিযোগে আলোচিত।

মন্টু স্যাটেলাইট এলাকার একাধিক মামলার আসামি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। বেলতলীর শিমুল নামে এক ব্যক্তি পকেটমার হিসেবে পরিচিত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রাজা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধেও জাল টাকার ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আগে শ্রমিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত বলে দাবি স্থানীয়দের।

আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কড়াইল বস্তিতে অনেকের কাছেই অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে এক যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।

রাতের নিরাপত্তা ও ময়লা অপসারণের নামে নিয়মিত চাঁদা আদায়, পালিয়ে যাওয়া নেতাদের ঘরবাড়ি দখল এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বারবার সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বস্তিতে দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

কড়াইল বস্তিতে আধিপত্যের যুদ্ধে ওরা চ্যাম্পিয়ন! অপকর্ম আড়ালে দলীয় সাইনবোর্ড অন্যতম হাতিয়ার

আপডেট: ১২:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

কড়াইল বস্তিতে আধিপত্যের যুদ্ধে ওরা চ্যাম্পিয়ন!
অপকর্ম আড়ালে দলীয় সাইনবোর্ড অন্যতম হাতিয়ার
—————-
হাবিব সরকার স্বাধীন /

বনানীর কড়াইল বস্তিতে চাঁদাবাজি, দখল ও মাদকের অভিযোগ:আতঙ্কে বাসিন্দারা।
রাজধানীর ঢাকার গুলশান, বনানী, টিএন্ডটি ও কড়াইল বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, দখল ও অবৈধ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৬ বছর ধরে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে মার্কেট বসানো, ঘর দখল, ঘর কেনাবেচায় কমিশন, অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ এবং পানি-বিদ্যুৎ খাতে নিয়মিত অর্থ আদায় করে আসছিল।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে ওই গোষ্ঠীর কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা এলাকা ছাড়েন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এতে দুর্ভোগ কমেনি। বরং আগের মতোই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ নিতে হচ্ছে, এমনকি চাঁদার হারও বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আগের প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কিছু অনুসারী এখন নিজেদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মী পরিচয় দিয়ে নতুন করে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

বিশাল বস্তি, তীব্র প্রভাব বিস্তারের লড়াই
কড়াইল বস্তি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন। প্রায় ৯৫ একর সরকারি জমির ওপর গড়ে ওঠা এই বস্তিতে আনুমানিক ৭০ হাজার ঘর রয়েছে, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার বসবাস করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলতলা, এরশাদনগর, আদর্শনগর, বেদে বস্তি ও ওয়ালভাঙা বস্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির ভেতরেই একাধিক গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা চলছে। গত ২২ জানুয়ারি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় বনানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিপক্ষ থানার সামনে বিক্ষোভ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি, বস্তির জামাই বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন শাহজাহান নামে এক বিএনপি নেতা। এছাড়া মোকলেস, শাহ আলম, বিপ্লব ও গিয়াস উদ্দিনের নামও বাজার ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

পানি ব্যবসার সঙ্গে বৌবাজারের বিলাল হোসেন, রোকেয়া সরকার ও আমেনা বেগমের নাম স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

জামাই বাজার দখল নিয়ে রতন, কানন, মোকলেস ও বিপ্লবের নামও স্থানীয়দের আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে কুমিল্লা পট্টি নিয়ন্ত্রণ করছেন নজরুল গং। এছাড়া আমজাদ (১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল) ও সোলমান (সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়দানকারী) এলাকাজুড়ে প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মোশার বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আরও কয়েকজনের নাম আলোচিত। এর মধ্যে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ এবং ৬ নম্বর বাবুর ভাই হিসেবে পরিচিত টুটুলের নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্তমানে টুটুল বিএনপি নেতা হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কড়াইল বস্তির বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চলছে। মাটির রাস্তা, কুমিল্লা পট্টি, বেলতলা, ভাঙা অল, স্যাটেলাইট ব্রিজপাড় ও বেদে বস্তি এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিলেও কড়াইল এলাকায় এখনো তেমন কোনো কার্যকর অভিযান চোখে পড়েনি। ফলে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে কোনো ভয়ের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, শাহিন, পলাশ, শিমুল (পকেটমার শিমুল নামে পরিচিত) এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। খলিল, মন্টু ও তার ছেলে পলাশ ও সাগরের নামও বিভিন্ন অভিযোগে আলোচিত।

মন্টু স্যাটেলাইট এলাকার একাধিক মামলার আসামি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। বেলতলীর শিমুল নামে এক ব্যক্তি পকেটমার হিসেবে পরিচিত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রাজা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধেও জাল টাকার ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আগে শ্রমিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত বলে দাবি স্থানীয়দের।

আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কড়াইল বস্তিতে অনেকের কাছেই অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে এক যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।

রাতের নিরাপত্তা ও ময়লা অপসারণের নামে নিয়মিত চাঁদা আদায়, পালিয়ে যাওয়া নেতাদের ঘরবাড়ি দখল এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বারবার সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বস্তিতে দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।