১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

গুইমারা রামছসু বাজার’ ও স্বনির্ভর’ সহিংসতায় নিহত’ আহত’ এবং ক্ষতিগ্রস্থ পারিবারদের মাঝে চেক প্রদান,,

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ১০:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৪২

গুইমারা রামছসু বাজার’ ও স্বনির্ভর’ সহিংসতায় নিহত’ আহত’ এবং ক্ষতিগ্রস্থ পারিবারদের মাঝে চেক প্রদান!

মোঃ রবিউল ইসলাম (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ি’র গুইমারার রামসু বাজার ও জেলা সদরের স্বনির্ভর বাজারে সহিংসতায় নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে জেলার গুইমারা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে। এসব পরিবারদের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পুনর্বাসন, কার্যক্রমের আওতায়, এ চেক বিতরণ করেন, জেলা প্রশাসক এবি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিদায়ী, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তার, বর্তমান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিশকাতুল তামান্না, গুইমারা থানার ওসি, এনামুল হক চৌধুরী, গুইমারা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাইফুল ইসলাম সোহাগসহ, বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

গুইমারায় নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ টাকা, আহত ১৩ পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত ৯৭ পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এর আগে ঘটনার পরপরই, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সহযোগিতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়।

একই দিন বিকালে জেলা সদরের স্বনির্ভর এলাকায় সহিংসতায় আহত ৭ জন ও ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে একই মন্ত্রণালয়ের থেকে সমপরিমাণ মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া ঘটনার পরপরই জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসন ছাড়া সেনাবাহিনী আহতদের চিকিৎসাসহ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায়।

এদিকে, সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের মানবিক সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আরো এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানা গেছে। যা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগের জেরে সেনাবাহিনীর গাড়ীতে হামলা, ভাঙচুর ও ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে গুইমারায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিন জন নিহত ও সেনাবাহিনীর একজন মেজরসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়। এছাড়া সন্ত্রাসীরা বাড়ী-ঘর ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ করে। তার আগের দিন ২৭ সেপ্টেম্বর বিকালে স্বনির্ভর বাজার এবং মহাজন পাড়া এলাকায় ব্যাপক লুটপাট-ভাঙচুর চালায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সন্ত্রাসীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

গুইমারা রামছসু বাজার’ ও স্বনির্ভর’ সহিংসতায় নিহত’ আহত’ এবং ক্ষতিগ্রস্থ পারিবারদের মাঝে চেক প্রদান,,

আপডেট: ১০:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

গুইমারা রামছসু বাজার’ ও স্বনির্ভর’ সহিংসতায় নিহত’ আহত’ এবং ক্ষতিগ্রস্থ পারিবারদের মাঝে চেক প্রদান!

মোঃ রবিউল ইসলাম (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ি’র গুইমারার রামসু বাজার ও জেলা সদরের স্বনির্ভর বাজারে সহিংসতায় নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে জেলার গুইমারা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে। এসব পরিবারদের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পুনর্বাসন, কার্যক্রমের আওতায়, এ চেক বিতরণ করেন, জেলা প্রশাসক এবি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিদায়ী, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তার, বর্তমান গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিশকাতুল তামান্না, গুইমারা থানার ওসি, এনামুল হক চৌধুরী, গুইমারা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাইফুল ইসলাম সোহাগসহ, বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

গুইমারায় নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ টাকা, আহত ১৩ পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত ৯৭ পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এর আগে ঘটনার পরপরই, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সহযোগিতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়।

একই দিন বিকালে জেলা সদরের স্বনির্ভর এলাকায় সহিংসতায় আহত ৭ জন ও ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে একই মন্ত্রণালয়ের থেকে সমপরিমাণ মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া ঘটনার পরপরই জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসন ছাড়া সেনাবাহিনী আহতদের চিকিৎসাসহ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায়।

এদিকে, সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের মানবিক সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আরো এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানা গেছে। যা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগের জেরে সেনাবাহিনীর গাড়ীতে হামলা, ভাঙচুর ও ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে গুইমারায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিন জন নিহত ও সেনাবাহিনীর একজন মেজরসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়। এছাড়া সন্ত্রাসীরা বাড়ী-ঘর ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ করে। তার আগের দিন ২৭ সেপ্টেম্বর বিকালে স্বনির্ভর বাজার এবং মহাজন পাড়া এলাকায় ব্যাপক লুটপাট-ভাঙচুর চালায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সন্ত্রাসীরা।