০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল ও বালু ব্যবসা,,,

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৮:৫৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৫০

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল ও বালু ব্যবসা।

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক মামলার বাদী পক্ষের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে অবৈধভাবে বালুর চাতাল বানিয়ে রমরমা ব্যবসা করে আসতেছে ইলিয়াস বেপারী নামের এক বালু ব্যবসায়ী।এতে বালুর স্তুপের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারসহ আশপাশের এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

জোরপূর্বক জমি দখল ও অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মাদারীপুর শহরের একটি মিডিয়া অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী নুরুল হক জমাদার। তিনি বলেন, সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের ৩৮নং এওজ মৌজার ১১৭৭নং দাগের ৪ একর ৭৯ শতাংশ জমির মধ্যে তিনি ও তাঁর ছয় ভাই ওয়ারিশ সূত্রে ১ একর ২ শতাংশ জমির মালিক। একই দাগে তাঁদের আত্মীয় খলিল জমাদারেরও ১ একর ২ শতাংশ জমি রয়েছে।

নুরুল হকের অভিযোগ, জমির বণ্টন সংক্রান্ত জটিলতার সুযোগ নিয়ে খলিল জমাদার তাঁর ভাগ্নি জামাই ইলিয়াস বেপারীকে জমিটি ব্যবহার করতে দেন। এরপর ইলিয়াস বেপারী পুকুর ভরাট করে সেখানে বালুর চাতাল বানিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা আসতেছে।
তিনি আরও বলেন, দৈনন্দিন ড্রেজারের মাধ্যমে ওই জমিতে বালু এনে স্তুপ আকারে সংরক্ষণ করা হয়। বালু ফেলার সময় ড্রেজারের পানি আশপাশের বাড়িঘরে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। শুকনো মৌসুমে বালু উড়ে গিয়ে আশপাশের বাড়িঘর ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা নানা
রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইলিয়াস বেপারী বালু ব্যবসা বন্ধ করেননি; বরং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, ইলিয়াস বেপারী সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আমার মামা শ্বশুর খলিল জমাদারের কাছ থেকে জমিটি ভাড়া নিয়ে বালুর ব্যবসা করছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আজিজ জমাদার, মো. শহীদ জমাদার, জালাল জমাদারসহ প্রমূখ।

তাই এ বালু ব্যবসা বন্ধ করার জন্য, দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও ঐ এলাকাবাসি

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল ও বালু ব্যবসা,,,

আপডেট: ০৮:৫৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল ও বালু ব্যবসা।

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক মামলার বাদী পক্ষের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে অবৈধভাবে বালুর চাতাল বানিয়ে রমরমা ব্যবসা করে আসতেছে ইলিয়াস বেপারী নামের এক বালু ব্যবসায়ী।এতে বালুর স্তুপের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারসহ আশপাশের এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

জোরপূর্বক জমি দখল ও অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মাদারীপুর শহরের একটি মিডিয়া অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী নুরুল হক জমাদার। তিনি বলেন, সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের ৩৮নং এওজ মৌজার ১১৭৭নং দাগের ৪ একর ৭৯ শতাংশ জমির মধ্যে তিনি ও তাঁর ছয় ভাই ওয়ারিশ সূত্রে ১ একর ২ শতাংশ জমির মালিক। একই দাগে তাঁদের আত্মীয় খলিল জমাদারেরও ১ একর ২ শতাংশ জমি রয়েছে।

নুরুল হকের অভিযোগ, জমির বণ্টন সংক্রান্ত জটিলতার সুযোগ নিয়ে খলিল জমাদার তাঁর ভাগ্নি জামাই ইলিয়াস বেপারীকে জমিটি ব্যবহার করতে দেন। এরপর ইলিয়াস বেপারী পুকুর ভরাট করে সেখানে বালুর চাতাল বানিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা আসতেছে।
তিনি আরও বলেন, দৈনন্দিন ড্রেজারের মাধ্যমে ওই জমিতে বালু এনে স্তুপ আকারে সংরক্ষণ করা হয়। বালু ফেলার সময় ড্রেজারের পানি আশপাশের বাড়িঘরে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। শুকনো মৌসুমে বালু উড়ে গিয়ে আশপাশের বাড়িঘর ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা নানা
রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইলিয়াস বেপারী বালু ব্যবসা বন্ধ করেননি; বরং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, ইলিয়াস বেপারী সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আমার মামা শ্বশুর খলিল জমাদারের কাছ থেকে জমিটি ভাড়া নিয়ে বালুর ব্যবসা করছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আজিজ জমাদার, মো. শহীদ জমাদার, জালাল জমাদারসহ প্রমূখ।

তাই এ বালু ব্যবসা বন্ধ করার জন্য, দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও ঐ এলাকাবাসি