গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সেনা প্রত্যাহার শুরু, বিধ্বস্ত এলাকায় ফিরছেন বাসিন্দারা
- আপডেট: ০৮:২৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
- / ১৭২
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরাইলি সেনারা গাজার কিছু অংশ থেকে সরে যেতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে ফিরে গেছেন। তবে যুদ্ধের প্রকৃত অবসান নিয়ে এখনো শঙ্কায় আছেন তারা।
গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান এলাকার বাসিন্দা ৪০ বছর বয়সি ইসমাইল জায়দা বলেন, “আমার বাড়িটি যে এখনো দাঁড়িয়ে আছে, তা নিয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাচ্ছি। তবে জায়গাটা ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিবেশীদের ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, পুরো এলাকা গুঁড়িয়ে গেছে।”
যুদ্ধবিরতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “তারা যেভাবে বলছে, আদৌ কি তা শেষ হয়েছে? কেউ এসে তো বলছে না যে যুদ্ধবিরতি সত্যিই কার্যকর হয়েছে এবং আমরা নিরাপদ।”
ইসরাইল সরকার শুক্রবার সকালে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। এতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজায় সহিংসতা থামানো এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
গাজা উপত্যকার দক্ষিণে খান ইউনিস শহরের বাসিন্দারা জানান, পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা থেকে কিছু ইসরাইলি সেনা সরে গেছেন। তবে ট্যাংকের গোলার শব্দ শোনা গেছে। কেন্দ্রীয় নুসেইরাত শিবিরে সেনারা পূর্ব সীমান্তের দিকে সরে গেলেও সকালে গুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
চিকিৎসক ও উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, গাজা শহরের যেসব এলাকায় আগে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, এখন সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এসব এলাকা থেকে অন্তত ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুই বছর ধরে চলা সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। চুক্তির প্রথম ধাপে বলা হয়েছে, বন্দি বিনিময়ের পাশাপাশি ইসরাইলি সেনাদের গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হবে।



















