০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

১০৮ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের তামিম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২৫৫

নোয়াখালীর চাটখিলে মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েছে আট বছরের বিস্ময় শিশু তামিম চৌধুরী। দ্রুত সময়ে ৩০ পারা কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করায় আনন্দিত তার পরিবার ও শিক্ষকরা।

তামিম চৌধুরী চাটখিল উপজেলার কড়িহাটি গ্রামের বাহার চৌধুরী ও মারজাহান আকতার দম্পত্তির একমাত্র ছেলে। সে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাহার চৌধুরীর তিন মেয়ে ও এক ছেলে। তামিম ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। বাবার স্বপ্ন পূরণে তামিমকে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসায় ভর্তি করানো হয়। তারপর নাজরানা বিভাগে পড়ার মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কুরআন হিফজ করে সে।

শিশু তামিম ঢাকা পোস্টকে বলে, আলহামদুলিল্লাহ! অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে। আমার ওস্তাদরা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করেছেন। ওস্তাদদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি প্রথম ভেবেছিলাম অনেক কঠিন হবে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে সহজ করে দিয়েছেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভবিষ্যতে বড় একজন আলেম হতে পারি।

তামিমের সহপাঠী মো. আব্দুল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার বন্ধু তামিম মাত্র ১০৮ দিনে হিফজ শেষ করেছে, এ জন্য আমরা খুব আনন্দিত। তার মাধ্যমে আমাদের মাদরাসার নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমরা দোয়া করি যেন এমন আরও অনেকেই হাফেজ হতে পারে। আল্লাহ যেন সবাইকে কবুল করেন।

তামিমের বাবা বাহার চৌধুরী ও মা মারজান আকতার ঢাকা পোস্টকে বলেন, কোরআনের হাফেজ হয়ে তামিম আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমরা মাদরাসার সব শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের ছেলেকে ইসলামের জন্য কবুল করে।

মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা সিফাতুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিশুটি মাত্র ছয় মাস নাজেরানা পড়ে হেফজ বিভাগে ছবক শুরু করে। ছবক শুরু থেকে ৩ মাস ১০ দিনে অর্থাৎ মাত্র ১০৮ দিনে কোরআনে হেফজ সম্পন্ন করে। তামিমের এমন মেধা অর্জনে আমাদের দোয়া থাকবে। আমি আশা করছি, তামিম আন্তর্জাতিকভাবে কোরআনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমাদের মাদরাসা, পরিবার, দেশ ও জাতির জন্য সম্মান বয়ে আনবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

১০৮ দিনে কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের তামিম

আপডেট: ০৫:২৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

নোয়াখালীর চাটখিলে মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েছে আট বছরের বিস্ময় শিশু তামিম চৌধুরী। দ্রুত সময়ে ৩০ পারা কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করায় আনন্দিত তার পরিবার ও শিক্ষকরা।

তামিম চৌধুরী চাটখিল উপজেলার কড়িহাটি গ্রামের বাহার চৌধুরী ও মারজাহান আকতার দম্পত্তির একমাত্র ছেলে। সে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাহার চৌধুরীর তিন মেয়ে ও এক ছেলে। তামিম ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। বাবার স্বপ্ন পূরণে তামিমকে মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসায় ভর্তি করানো হয়। তারপর নাজরানা বিভাগে পড়ার মাত্র ১০৮ দিনে পবিত্র কুরআন হিফজ করে সে।

শিশু তামিম ঢাকা পোস্টকে বলে, আলহামদুলিল্লাহ! অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে। আমার ওস্তাদরা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করেছেন। ওস্তাদদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি প্রথম ভেবেছিলাম অনেক কঠিন হবে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে সহজ করে দিয়েছেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন ভবিষ্যতে বড় একজন আলেম হতে পারি।

তামিমের সহপাঠী মো. আব্দুল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার বন্ধু তামিম মাত্র ১০৮ দিনে হিফজ শেষ করেছে, এ জন্য আমরা খুব আনন্দিত। তার মাধ্যমে আমাদের মাদরাসার নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমরা দোয়া করি যেন এমন আরও অনেকেই হাফেজ হতে পারে। আল্লাহ যেন সবাইকে কবুল করেন।

তামিমের বাবা বাহার চৌধুরী ও মা মারজান আকতার ঢাকা পোস্টকে বলেন, কোরআনের হাফেজ হয়ে তামিম আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমরা মাদরাসার সব শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের ছেলেকে ইসলামের জন্য কবুল করে।

মারকাজুন নাযাত ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা সিফাতুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিশুটি মাত্র ছয় মাস নাজেরানা পড়ে হেফজ বিভাগে ছবক শুরু করে। ছবক শুরু থেকে ৩ মাস ১০ দিনে অর্থাৎ মাত্র ১০৮ দিনে কোরআনে হেফজ সম্পন্ন করে। তামিমের এমন মেধা অর্জনে আমাদের দোয়া থাকবে। আমি আশা করছি, তামিম আন্তর্জাতিকভাবে কোরআনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমাদের মাদরাসা, পরিবার, দেশ ও জাতির জন্য সম্মান বয়ে আনবে।