০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৮:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৯৯

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আমড়াতলীর ভবগ্রামের কৃতিসন্তান আব্দুল মান্নান ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি সেনাপ্রধান (অব.) হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে পরিচালিত ডেসটিনি গ্রুপ অব কোম্পানির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডে যুক্ত হন।

তাঁর যোগ্যতা ও পরিশ্রমের ফলে তিনি দ্রুতই প্রতিষ্ঠানের প্রথম ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ এবং শেয়ারহোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ডেসটিনি ছাড়া তিনি পারিবারিকভাবে আরও বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি সমাজের অসহায় মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায়ও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

কিন্তু ২০১২ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হিংসাত্মক আচরণের ফলে ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় পরিচালনা পর্ষদের ১২ জনকে আসামি করা হয়। অথচ তদন্তে দেখা যায়, আব্দুল মান্নান ঐ প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোন কাজেই জড়িত ছিলেন না।

দুই বছর পর, ২০১৪ সালের শেষ দিকে, সরকারদলীয় প্রভাবের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের এক তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে ১৮তম আসামি হিসেবে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এরপর শুরু হয় তাঁর ও পরিবারের চরম দুর্ভোগ। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে আব্দুল মান্নান দেশত্যাগে  বাধ্য হন। এরই মধ্যে তাঁর পিতা দুঃখ-কষ্টে মানসিক আঘাত পেয়ে স্ট্রোকে মারা যান। মা হোসনা আরা বেগম দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ছেলের মুক্তির আশায় আদালত ও বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিচ্ছেন। বয়স ও মানসিক কষ্টে তিনি আজ প্রায় অসুস্থ। পুলিশ নিয়মিতভাবে পরিবারকে হুমকি দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফলে পরিবারটি সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার হাজারো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা থেকে অনেককে অব্যাহতি দিলেও আব্দুল মান্নানের মিথ্যা মামলাটি এখনো ঝুলে আছে। তাঁর মা ও পরিবার সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন- “আমাদের ছেলেকে যেন মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করা হয়।”

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

আপডেট: ০৮:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আমড়াতলীর ভবগ্রামের কৃতিসন্তান আব্দুল মান্নান ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি সেনাপ্রধান (অব.) হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে পরিচালিত ডেসটিনি গ্রুপ অব কোম্পানির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডে যুক্ত হন।

তাঁর যোগ্যতা ও পরিশ্রমের ফলে তিনি দ্রুতই প্রতিষ্ঠানের প্রথম ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ এবং শেয়ারহোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ডেসটিনি ছাড়া তিনি পারিবারিকভাবে আরও বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি সমাজের অসহায় মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায়ও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

কিন্তু ২০১২ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হিংসাত্মক আচরণের ফলে ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় পরিচালনা পর্ষদের ১২ জনকে আসামি করা হয়। অথচ তদন্তে দেখা যায়, আব্দুল মান্নান ঐ প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোন কাজেই জড়িত ছিলেন না।

দুই বছর পর, ২০১৪ সালের শেষ দিকে, সরকারদলীয় প্রভাবের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের এক তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে ১৮তম আসামি হিসেবে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এরপর শুরু হয় তাঁর ও পরিবারের চরম দুর্ভোগ। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে আব্দুল মান্নান দেশত্যাগে  বাধ্য হন। এরই মধ্যে তাঁর পিতা দুঃখ-কষ্টে মানসিক আঘাত পেয়ে স্ট্রোকে মারা যান। মা হোসনা আরা বেগম দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ছেলের মুক্তির আশায় আদালত ও বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিচ্ছেন। বয়স ও মানসিক কষ্টে তিনি আজ প্রায় অসুস্থ। পুলিশ নিয়মিতভাবে পরিবারকে হুমকি দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফলে পরিবারটি সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার হাজারো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা থেকে অনেককে অব্যাহতি দিলেও আব্দুল মান্নানের মিথ্যা মামলাটি এখনো ঝুলে আছে। তাঁর মা ও পরিবার সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন- “আমাদের ছেলেকে যেন মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করা হয়।”