১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সভাপতি এখন বিএনপি’র নেতা শিবলু খান, তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গাছার সাধারণ মানুষ।

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • /

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সভাপতি এখন বিএনপি’র নেতা শিবলু খান, তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গাছার সাধারণ মানুষ।

জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশেষ প্রতিবেদকঃ গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে নাহিদুর রহমান খান,শিবলু ওরফে “শুটার শিবলু” এবং তার বাহিনীর কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু চার নেতা পরিষদের সভাপতি ও গাজীপুর মহানগর মোটর শ্রমিক লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত শিবলু খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্মে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের, ঘনিষ্ঠ সহচর ও আওয়ামী লীগে নেতা মশিউর রহমান মসি ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর ওসমান গনি কাজলের ভাড়াটিয়া হিসেবে বিভিন্ন সময় কাজ করেছেন শিবলু খান। অভিযোগ রয়েছে, জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনের সময় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মার জাহাঙ্গীর আলমন ও ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজলের নেতৃত্বে গাছা ও উত্তরা হাউজ বিল্ডিংসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেয় শুটার শিবলু বাহিনী।
এছাড়া গোপন সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার নামে বিভিন্ন থানায় হাফ ডজন মামলা রয়েছে স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও নিজের অপরাধ সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে বিএনপি’র বিভিন্ন নেতাকর্মীর পক্ষের ভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে শিবলু ও তার সহযোগীরা।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি ও গার্মেন্টস দখলের কাজেও জড়িত রয়েছে তার বাহিনী। এ ছাড়া কিছুদিন আগে গাছা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদকের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাতেও তার বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাছা থানায় একটি মামলাও হয়েছে এবং বিষয়টি বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই শুটার শিবলু আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, গাছা থানা বিএনপির একটি বলয়ের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি এখনও মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের অভিযোগের তথ্য তাদের কাছেও এসেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
অভিযুক্ত শিবলু খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একাধিকবার তার বাসায় গিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০
বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সভাপতি এখন বিএনপি’র নেতা শিবলু খান, তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গাছার সাধারণ মানুষ।

আপডেট: ০৫:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চার নেতা পরিষদের সভাপতি এখন বিএনপি’র নেতা শিবলু খান, তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গাছার সাধারণ মানুষ।

জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশেষ প্রতিবেদকঃ গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে নাহিদুর রহমান খান,শিবলু ওরফে “শুটার শিবলু” এবং তার বাহিনীর কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বঙ্গবন্ধু চার নেতা পরিষদের সভাপতি ও গাজীপুর মহানগর মোটর শ্রমিক লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত শিবলু খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্মে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের, ঘনিষ্ঠ সহচর ও আওয়ামী লীগে নেতা মশিউর রহমান মসি ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর ওসমান গনি কাজলের ভাড়াটিয়া হিসেবে বিভিন্ন সময় কাজ করেছেন শিবলু খান। অভিযোগ রয়েছে, জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনের সময় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মার জাহাঙ্গীর আলমন ও ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজলের নেতৃত্বে গাছা ও উত্তরা হাউজ বিল্ডিংসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেয় শুটার শিবলু বাহিনী।
এছাড়া গোপন সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার নামে বিভিন্ন থানায় হাফ ডজন মামলা রয়েছে স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও নিজের অপরাধ সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে বিএনপি’র বিভিন্ন নেতাকর্মীর পক্ষের ভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে শিবলু ও তার সহযোগীরা।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি ও গার্মেন্টস দখলের কাজেও জড়িত রয়েছে তার বাহিনী। এ ছাড়া কিছুদিন আগে গাছা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদকের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাতেও তার বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাছা থানায় একটি মামলাও হয়েছে এবং বিষয়টি বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই শুটার শিবলু আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, গাছা থানা বিএনপির একটি বলয়ের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি এখনও মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের অভিযোগের তথ্য তাদের কাছেও এসেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
অভিযুক্ত শিবলু খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একাধিকবার তার বাসায় গিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।