১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

স্বজনকে চিরবিদায় দিয়ে ফেরার পথে যুবদলকর্মী সেলিম স্ত্রী-কন্যার সামনেই বোরকাপরা দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:১৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৪২৭

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় জানাজা শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্ত্রী ও কন্যার সামনে মো. সেলিম (৪৫) নামের এক যুবদলকর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে চার দুর্বৃত্ত।
রোববার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কদলপুর ইউনিয়নের ঈশান ভট্টের হাটে শান্তি ফার্মেসীর সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বোরকা পরে আসা চার যুবক সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নেমে সেলিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নিহত মো. সেলিম কদলপুর ইউনিয়নের ইসলামিয়া নতুন পাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে। তিনি জানে আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সেলিম একই ইউনিয়নের সমশের পাড়ায় তার এক আত্মীয়ার জানাজা ও দাফন শেষে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঈশান ভট্টের হাটে ওষুধ কেনার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. পুজা মল্লিক জানান, নিহতের মুখমণ্ডলের বাম পাশে গুলির আঘাতে থেঁতলে যায়, অপর একটি গুলি লাগে কোমরে। তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। মো. সেলিম ছিলেন জানে আলম গ্রুপের একজন সক্রিয় কর্মী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

স্বজনকে চিরবিদায় দিয়ে ফেরার পথে যুবদলকর্মী সেলিম স্ত্রী-কন্যার সামনেই বোরকাপরা দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন

আপডেট: ০৮:১৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় জানাজা শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্ত্রী ও কন্যার সামনে মো. সেলিম (৪৫) নামের এক যুবদলকর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে চার দুর্বৃত্ত।
রোববার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কদলপুর ইউনিয়নের ঈশান ভট্টের হাটে শান্তি ফার্মেসীর সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বোরকা পরে আসা চার যুবক সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নেমে সেলিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নিহত মো. সেলিম কদলপুর ইউনিয়নের ইসলামিয়া নতুন পাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে। তিনি জানে আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সেলিম একই ইউনিয়নের সমশের পাড়ায় তার এক আত্মীয়ার জানাজা ও দাফন শেষে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঈশান ভট্টের হাটে ওষুধ কেনার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. পুজা মল্লিক জানান, নিহতের মুখমণ্ডলের বাম পাশে গুলির আঘাতে থেঁতলে যায়, অপর একটি গুলি লাগে কোমরে। তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। মো. সেলিম ছিলেন জানে আলম গ্রুপের একজন সক্রিয় কর্মী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।