০৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ৩১

সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।

এসএম উজ্জ্বল হোসেনঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের পানগাওঁ এলাকার আইন্তা নামক গ্রামে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

২১শে মে ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের সময় ভুক্তভোগীর বাড়ির গাছের আম প্রতিবেশী রুবেল গং অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যায়। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী হয়ে মেহরাবের শারীরে কিল ঘুসি লাথির আঘাত করে।

বিষয়টি মা মিনা বেগম ও পিতা মোস্তফা মিয়ার কাছে টেলিফোন মারফত জানালে তাৎক্ষণিক তারা তাদের কাছের মানুষ ও সাংবাদিকদের অবগত করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিকরা দেখতে পায় রুবেল ও তার ভাই রুমেল দেশীয় অস্ত্র কোদাল নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা করেন। রুবেল গং উচ্চস্বরে গালিগালাজ হুমকি ধামকি দিয়েই যাচ্ছিলেন।

এমতাবস্থায় সাংবাদিকরা হামলাকারীদের থামাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জানায় তাদের আইজি ডিআইজি বড় চ্যানেলের সাংবাদিক রয়েছে বিধায় তাদের কিছুই করার ক্ষমতা কারো নেই।

অভিযুক্ত দুই ভাই রুবেল ও রুমেল সহ তাদের পরিবারের সদস্যরা সংঘবদ্ধভাবে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে গিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ইট দিয়ে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালায়।

এঘটনায় এলাকার নেতা সেলিম রেজার বাঁধার মুখে পড়ে থামতে বাধ্য হলেও অকথ্য গালিগালাজ চালিয়ে যেতে থাকে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা পুলিশ আসার জন্য খবর দেয়। পুলিশের এসআই হারুনুর রশিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীর বাড়িতে প্রবেশ করতেই রুবেল ও রুমেল ওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশের বরাত দিয়ে জানানাে হয় পরবর্তীতে এমন কাজ করলে ছাড় দেয়া হবেনা। এসব কথা শুনে রুবেলের স্ত্রী জানায় আমার স্বামী একজন পাগল এমন কাজ আর কখনো হবেনা বলে অঙ্গীকার করেন।

এলাকা সুত্রে জানাযায় রুবেলের পিতা আমানউল্লাহ একজন আওয়ামী পন্থি মেম্বার ছিলেন, রুবেলের মামাতো ভাই কুন্ডা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হারুন তার দাপট দেখিয়ে অভিযুক্ত রুবেল গং দীর্ঘ ১৭ বছর ধরাকে সরাজ্ঞান করে এলাকার মানুষের অনেক ক্ষতি করেছে।

এলাকার চেয়ারম্যানকে পর্যন্ত রুবেল গং কখনো মান্য করেনি বরং সবার সাথে ক্ষিপ্ত আচরণ করেছে। যে কারনে তাদের কেউ ভালো চোখে দেখেনা।

এলাকা সুত্রে জানাযায়
অভিযুক্ত আমানউল্লার পরিবার ছিলো আওয়ামীলীগের দোসর, এখনো পূর্বের মতোই তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে পরিবারটি। বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগের সাঙ্গপাঙ্গরা পালিয়ে গেলেও দুই একটা দালাল পূর্বের আচরণে ফিরে এসেছে।

ভুক্তভোগী মিনা বেগম বলেন তাদের বসত বাড়ির জমি কেনার ৮ বছর পর আমানউল্লাহ জমি ক্রয় করেছে। ক্রয়কৃত জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা করেন, যা এখনো চলামান রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া সত্বেও মাঝে মধ্যেই জমির মালিকানা দাবি করে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়।

মিনা বেগম একজন স্কুল শিক্ষিকা তিনি জানায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। পারিবারিক বিরোধের অবসান ও নিরাপত্তার নিমিত্তে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সংক্রান্ত নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় মিনা বেগম থানায় উপস্থিত হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।

আপডেট: ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, থানায় অভিযোগ।

এসএম উজ্জ্বল হোসেনঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের পানগাওঁ এলাকার আইন্তা নামক গ্রামে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

২১শে মে ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের সময় ভুক্তভোগীর বাড়ির গাছের আম প্রতিবেশী রুবেল গং অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যায়। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী হয়ে মেহরাবের শারীরে কিল ঘুসি লাথির আঘাত করে।

বিষয়টি মা মিনা বেগম ও পিতা মোস্তফা মিয়ার কাছে টেলিফোন মারফত জানালে তাৎক্ষণিক তারা তাদের কাছের মানুষ ও সাংবাদিকদের অবগত করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিকরা দেখতে পায় রুবেল ও তার ভাই রুমেল দেশীয় অস্ত্র কোদাল নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা করেন। রুবেল গং উচ্চস্বরে গালিগালাজ হুমকি ধামকি দিয়েই যাচ্ছিলেন।

এমতাবস্থায় সাংবাদিকরা হামলাকারীদের থামাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জানায় তাদের আইজি ডিআইজি বড় চ্যানেলের সাংবাদিক রয়েছে বিধায় তাদের কিছুই করার ক্ষমতা কারো নেই।

অভিযুক্ত দুই ভাই রুবেল ও রুমেল সহ তাদের পরিবারের সদস্যরা সংঘবদ্ধভাবে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে গিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ইট দিয়ে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালায়।

এঘটনায় এলাকার নেতা সেলিম রেজার বাঁধার মুখে পড়ে থামতে বাধ্য হলেও অকথ্য গালিগালাজ চালিয়ে যেতে থাকে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা পুলিশ আসার জন্য খবর দেয়। পুলিশের এসআই হারুনুর রশিদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীর বাড়িতে প্রবেশ করতেই রুবেল ও রুমেল ওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশের বরাত দিয়ে জানানাে হয় পরবর্তীতে এমন কাজ করলে ছাড় দেয়া হবেনা। এসব কথা শুনে রুবেলের স্ত্রী জানায় আমার স্বামী একজন পাগল এমন কাজ আর কখনো হবেনা বলে অঙ্গীকার করেন।

এলাকা সুত্রে জানাযায় রুবেলের পিতা আমানউল্লাহ একজন আওয়ামী পন্থি মেম্বার ছিলেন, রুবেলের মামাতো ভাই কুন্ডা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হারুন তার দাপট দেখিয়ে অভিযুক্ত রুবেল গং দীর্ঘ ১৭ বছর ধরাকে সরাজ্ঞান করে এলাকার মানুষের অনেক ক্ষতি করেছে।

এলাকার চেয়ারম্যানকে পর্যন্ত রুবেল গং কখনো মান্য করেনি বরং সবার সাথে ক্ষিপ্ত আচরণ করেছে। যে কারনে তাদের কেউ ভালো চোখে দেখেনা।

এলাকা সুত্রে জানাযায়
অভিযুক্ত আমানউল্লার পরিবার ছিলো আওয়ামীলীগের দোসর, এখনো পূর্বের মতোই তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে পরিবারটি। বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগের সাঙ্গপাঙ্গরা পালিয়ে গেলেও দুই একটা দালাল পূর্বের আচরণে ফিরে এসেছে।

ভুক্তভোগী মিনা বেগম বলেন তাদের বসত বাড়ির জমি কেনার ৮ বছর পর আমানউল্লাহ জমি ক্রয় করেছে। ক্রয়কৃত জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা করেন, যা এখনো চলামান রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া সত্বেও মাঝে মধ্যেই জমির মালিকানা দাবি করে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়।

মিনা বেগম একজন স্কুল শিক্ষিকা তিনি জানায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। পারিবারিক বিরোধের অবসান ও নিরাপত্তার নিমিত্তে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সংক্রান্ত নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় মিনা বেগম থানায় উপস্থিত হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।