০৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

রাজের উদ্দেশে পরী, ‘সো-কল্ড’ বাবা দরকার নাই

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ২৮৯

পর্দার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের নানা বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, নিজেকে তিনি প্রমাণ করেছেন এক সংগ্রামী নারী এবং দায়িত্ববান মায়ের ভূমিকায়। বিচ্ছেদের পর একাই সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যর দেখভাল করছেন তিনি।

তবে মাঝেমধ্যেই সাবেক স্বামী চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেন তিনি। এবারও তেমনই ইঙ্গিত মিলল।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে পরীমণি লেখেন, রাত জাগা আর নির্ঘুম রাত এক নয়, সোনা! মা হয়ে দেখো শুধু। সন্তানের গায়ে একটি মশার কামড়ও নিতে পারবে না, আর সেখানে বাচ্চার ১০৪ জ্বর হলে মায়ের যেন দম বন্ধ হয়ে আসে। একা মা হয়ে এই পরিস্থিতি সামলানো কতটা কঠিন, তা কেবলমাত্র মা-ই বুঝতে পারেন।

গেল বছরের শেষ দিকে শরীফুল রাজকে দেখা গিয়েছিল সন্তান রাজ্যকে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল বাবা-ছেলের খুনসুটি। সে বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়ে পরীমণি লেখেন, রাত জেগে নেটফ্লিক্স দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পার্টি, লং ড্রাইভ বা ফেসবুক স্ক্রলে সময় কাটানো হয়তো অনেকের কাছে উপভোগ্য। কিন্তু দায়িত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ জীবন অনেকের কাছে অসহনীয় ঠেকে। কার কাছে? তাদের কাছে, যারা সুযোগ বুঝে সন্তানের সঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও রেকর্ড করে মিথ্যা আবেগ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মাতৃত্বের সংগ্রাম নিয়ে পরীমণি লেখেন, একজন মা দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী করেন, তা ভাবনার বাইরে। যারা প্রকৃত বাবা, তারা সন্তানের জন্য সব করেন, সব আগলে রাখেন। কিন্তু আমার সন্তানের জন্য এমন ‘সো-কল্ড’ বাবা প্রয়োজন নেই। এতদিনে এটা প্রমাণিত হয়েছে।

পোস্টের শেষে পরীমণি স্পষ্টভাবে জানান, আমি আমার সন্তানের মা-বাবা, কারণ সে সেটাই বুঝে বড় হচ্ছে। কিন্তু আমাকে বোঝানোর মতো তোমার জীবনে আর কিছুই নেই। আমি সব মাফ করলেও, আজীবন আমার এই ঘৃণার মধ্যে তোমাকে বাঁচতে হবে। মরে গেলে তো মরেই যেতে, হাসপাতালে আপডেট যায় তোমার ফোনে! ওসব দেখে অন্ধ হয়ে যাও না কেন?

বলে রাখা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেছিলেন শরীফুল রাজ-পরীমণি। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে বিয়ে করেছিলেন তারা। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট এই তারকা দম্পতির ঘর আলো করে আসে সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। এর এক বছর পরই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন রাজ-পরী।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

রাজের উদ্দেশে পরী, ‘সো-কল্ড’ বাবা দরকার নাই

আপডেট: ০৬:০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

পর্দার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের নানা বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, নিজেকে তিনি প্রমাণ করেছেন এক সংগ্রামী নারী এবং দায়িত্ববান মায়ের ভূমিকায়। বিচ্ছেদের পর একাই সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যর দেখভাল করছেন তিনি।

তবে মাঝেমধ্যেই সাবেক স্বামী চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেন তিনি। এবারও তেমনই ইঙ্গিত মিলল।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে পরীমণি লেখেন, রাত জাগা আর নির্ঘুম রাত এক নয়, সোনা! মা হয়ে দেখো শুধু। সন্তানের গায়ে একটি মশার কামড়ও নিতে পারবে না, আর সেখানে বাচ্চার ১০৪ জ্বর হলে মায়ের যেন দম বন্ধ হয়ে আসে। একা মা হয়ে এই পরিস্থিতি সামলানো কতটা কঠিন, তা কেবলমাত্র মা-ই বুঝতে পারেন।

গেল বছরের শেষ দিকে শরীফুল রাজকে দেখা গিয়েছিল সন্তান রাজ্যকে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল বাবা-ছেলের খুনসুটি। সে বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়ে পরীমণি লেখেন, রাত জেগে নেটফ্লিক্স দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পার্টি, লং ড্রাইভ বা ফেসবুক স্ক্রলে সময় কাটানো হয়তো অনেকের কাছে উপভোগ্য। কিন্তু দায়িত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ জীবন অনেকের কাছে অসহনীয় ঠেকে। কার কাছে? তাদের কাছে, যারা সুযোগ বুঝে সন্তানের সঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও রেকর্ড করে মিথ্যা আবেগ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মাতৃত্বের সংগ্রাম নিয়ে পরীমণি লেখেন, একজন মা দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী করেন, তা ভাবনার বাইরে। যারা প্রকৃত বাবা, তারা সন্তানের জন্য সব করেন, সব আগলে রাখেন। কিন্তু আমার সন্তানের জন্য এমন ‘সো-কল্ড’ বাবা প্রয়োজন নেই। এতদিনে এটা প্রমাণিত হয়েছে।

পোস্টের শেষে পরীমণি স্পষ্টভাবে জানান, আমি আমার সন্তানের মা-বাবা, কারণ সে সেটাই বুঝে বড় হচ্ছে। কিন্তু আমাকে বোঝানোর মতো তোমার জীবনে আর কিছুই নেই। আমি সব মাফ করলেও, আজীবন আমার এই ঘৃণার মধ্যে তোমাকে বাঁচতে হবে। মরে গেলে তো মরেই যেতে, হাসপাতালে আপডেট যায় তোমার ফোনে! ওসব দেখে অন্ধ হয়ে যাও না কেন?

বলে রাখা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেছিলেন শরীফুল রাজ-পরীমণি। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে বিয়ে করেছিলেন তারা। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট এই তারকা দম্পতির ঘর আলো করে আসে সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। এর এক বছর পরই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন রাজ-পরী।