০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

বিক্রি নেই, বাড়ছে ঋণের বোঝা; সংকটে আবাসন উদ্যোক্তারা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট: ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / ২৮

বিক্রি নেই, বাড়ছে ঋণের বোঝা; সংকটে আবাসন উদ্যোক্তারা

 

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের আবাসন খাত দীর্ঘদিন ধরে এক কঠিন মন্দাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্ল্যাট বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ডেভেলপাররা। একই সঙ্গে রড, সিমেন্ট, টাইলস, বালি, ইট, পাথরসহ নির্মাণসামগ্রীর বাজারেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ সুদে ব্যাংক ঋণ, ডলারের অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং নির্মাণ ব্যয়ের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে পুরো আবাসন খাত এখন টিকে থাকার লড়াই করছে।

রিহ্যাবের তথ্য অনুযায়ী, একসময় মাসে প্রায় এক হাজার ফ্ল্যাট বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২৫০ থেকে ৩০০ ইউনিটে। বিশেষ করে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বসুন্ধরা ও ধানমন্ডির বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় বিক্রি ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, গত কয়েক বছরে রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও পাথরের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এতে একটি ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের বড় অংশ ফ্ল্যাট কেনা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। অন্যদিকে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) কমে যাওয়ায় আগের তুলনায় কম তলা ভবন নির্মাণের সুযোগ থাকায় জমির মালিকরাও আবাসন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

রাজধানীর বাংলামোটর, মিরপুর ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানেই ক্রেতা কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরে বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলামোটর টাইলস মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, আগে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হলেও এখন কোনো কোনো দিন ৫০ হাজার টাকাও বিক্রি হয় না। এতে ব্যাংক ঋণের কিস্তি, গুদাম ভাড়া ও শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক বলেন, “বর্তমানে পুরো আবাসন খাতই চাপে রয়েছে। বিক্রি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। নতুন প্রকল্প গ্রহণও হ্রাস পেয়েছে। শুধু ডেভেলপার নয়, নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায়ীরাও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।” তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় অনেক উদ্যোক্তার পক্ষে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণ ব্যয় বাড়লেও ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আমিরুল হক বলেন, “সিমেন্ট শিল্পে বর্তমানে বড় ধরনের মন্দাভাব চলছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশ অব্যবহৃত পড়ে আছে। শিল্প টিকিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।”

একই ধরনের সংকটের কথা জানিয়েছে ইস্পাত খাতও। জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, “আবাসন খাতের স্থবিরতার কারণে রডের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। বাধ্য হয়ে উৎপাদন কমাতে হচ্ছে।”

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আবাসন শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। এ খাতের সঙ্গে ১৬৯টির বেশি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পও নির্ভরশীল। ফলে আবাসন খাতে মন্দা দীর্ঘায়িত হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে গৃহঋণের সুদহার যেখানে ৯ শতাংশ ছিল, তা ২০২৪ সালে বেড়ে ১৭ শতাংশে পৌঁছে। বর্তমানে সুদহার ১৪ শতাংশের আশপাশে রয়েছে। ব্যাংকাররা বলছেন, উচ্চ সুদের কারণে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতারা গৃহঋণ নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশে আবাসন খাতের জন্য বিশেষায়িত দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থা খুব সীমিত। সরকার চাইলে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের ব্যবস্থা করে এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাত সচল থাকলে কর্মসংস্থান বাড়ে, শিল্পকারখানার উৎপাদন বাড়ে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পায়। তাই দ্রুত নীতি সহায়তা, কর ছাড় এবং সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থা না হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

বিক্রি নেই, বাড়ছে ঋণের বোঝা; সংকটে আবাসন উদ্যোক্তারা

আপডেট: ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

বিক্রি নেই, বাড়ছে ঋণের বোঝা; সংকটে আবাসন উদ্যোক্তারা

 

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের আবাসন খাত দীর্ঘদিন ধরে এক কঠিন মন্দাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্ল্যাট বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ডেভেলপাররা। একই সঙ্গে রড, সিমেন্ট, টাইলস, বালি, ইট, পাথরসহ নির্মাণসামগ্রীর বাজারেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ সুদে ব্যাংক ঋণ, ডলারের অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং নির্মাণ ব্যয়ের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে পুরো আবাসন খাত এখন টিকে থাকার লড়াই করছে।

রিহ্যাবের তথ্য অনুযায়ী, একসময় মাসে প্রায় এক হাজার ফ্ল্যাট বিক্রি হলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২৫০ থেকে ৩০০ ইউনিটে। বিশেষ করে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বসুন্ধরা ও ধানমন্ডির বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় বিক্রি ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, গত কয়েক বছরে রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও পাথরের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এতে একটি ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের বড় অংশ ফ্ল্যাট কেনা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। অন্যদিকে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) কমে যাওয়ায় আগের তুলনায় কম তলা ভবন নির্মাণের সুযোগ থাকায় জমির মালিকরাও আবাসন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

রাজধানীর বাংলামোটর, মিরপুর ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানেই ক্রেতা কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরে বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলামোটর টাইলস মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, আগে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হলেও এখন কোনো কোনো দিন ৫০ হাজার টাকাও বিক্রি হয় না। এতে ব্যাংক ঋণের কিস্তি, গুদাম ভাড়া ও শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক বলেন, “বর্তমানে পুরো আবাসন খাতই চাপে রয়েছে। বিক্রি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। নতুন প্রকল্প গ্রহণও হ্রাস পেয়েছে। শুধু ডেভেলপার নয়, নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায়ীরাও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।” তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় অনেক উদ্যোক্তার পক্ষে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণ ব্যয় বাড়লেও ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আমিরুল হক বলেন, “সিমেন্ট শিল্পে বর্তমানে বড় ধরনের মন্দাভাব চলছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশ অব্যবহৃত পড়ে আছে। শিল্প টিকিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।”

একই ধরনের সংকটের কথা জানিয়েছে ইস্পাত খাতও। জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, “আবাসন খাতের স্থবিরতার কারণে রডের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। বাধ্য হয়ে উৎপাদন কমাতে হচ্ছে।”

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আবাসন শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। এ খাতের সঙ্গে ১৬৯টির বেশি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পও নির্ভরশীল। ফলে আবাসন খাতে মন্দা দীর্ঘায়িত হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে গৃহঋণের সুদহার যেখানে ৯ শতাংশ ছিল, তা ২০২৪ সালে বেড়ে ১৭ শতাংশে পৌঁছে। বর্তমানে সুদহার ১৪ শতাংশের আশপাশে রয়েছে। ব্যাংকাররা বলছেন, উচ্চ সুদের কারণে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতারা গৃহঋণ নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশে আবাসন খাতের জন্য বিশেষায়িত দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থা খুব সীমিত। সরকার চাইলে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের ব্যবস্থা করে এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাত সচল থাকলে কর্মসংস্থান বাড়ে, শিল্পকারখানার উৎপাদন বাড়ে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পায়। তাই দ্রুত নীতি সহায়তা, কর ছাড় এবং সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থা না হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।