০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা – রাজধানীতে মানুষের ঢল, পরিবহণ সংকট ও দুর্ভোগ চরমে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / ৩০০

ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বিশেষ প্রতিনিধি: বর্তমান কথা

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। রোববার (১৫ জুন) থেকে অফিস-আদালত খুলে যাওয়ায় শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকেই ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে দেখা যায় মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সদরঘাট, গাবতলী, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী এবং কমলাপুর রেলস্টেশন—সব জায়গায়ই ছিল ঘরমুখো মানুষের বিপরীত দৃশ্য, কর্মস্থলে ফেরার কষ্টসাধ্য চেষ্টা।

সকালে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে একের পর এক লঞ্চ সদরঘাটে এসে ভিড়তে থাকে। প্রতিটি লঞ্চ ছিল যাত্রীতে পরিপূর্ণ। যদিও লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে গিয়ে অনেকেই দুর্ভোগে পড়েন।

রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালগুলোতে নেমে দেখা গেছে শত শত যাত্রী। অনেকেই রিকশা বা অটোরিকশায় গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ কেউ পায়ে হেঁটেই বাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

ভ্যাপসা গরম ও তীব্র পরিবহণ সংকটে নাকাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গণপরিবহণ সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক জায়গায় ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি ভাড়া আদায় করেছে পরিবহণ চালকরা।শনিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রীদের ঢল নামে। অনেকে পরিবারসহ ফিরেছেন, কেউ এসেছেন একা। রেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগের দুই দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর সংখ্যা ছিল বেশি।

ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। যাত্রাপথের ক্লান্তি, তীব্র গরম, পরিবহণ সংকট, অতিরিক্ত ভাড়া—সব মিলিয়ে রাজধানীমুখী মানুষের ঈদ-পরবর্তী যাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্ভোগের আরেক নাম।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা – রাজধানীতে মানুষের ঢল, পরিবহণ সংকট ও দুর্ভোগ চরমে

আপডেট: ১০:৪০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
বিশেষ প্রতিনিধি: বর্তমান কথা

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। রোববার (১৫ জুন) থেকে অফিস-আদালত খুলে যাওয়ায় শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকেই ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে দেখা যায় মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সদরঘাট, গাবতলী, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী এবং কমলাপুর রেলস্টেশন—সব জায়গায়ই ছিল ঘরমুখো মানুষের বিপরীত দৃশ্য, কর্মস্থলে ফেরার কষ্টসাধ্য চেষ্টা।

সকালে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে একের পর এক লঞ্চ সদরঘাটে এসে ভিড়তে থাকে। প্রতিটি লঞ্চ ছিল যাত্রীতে পরিপূর্ণ। যদিও লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে গিয়ে অনেকেই দুর্ভোগে পড়েন।

রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালগুলোতে নেমে দেখা গেছে শত শত যাত্রী। অনেকেই রিকশা বা অটোরিকশায় গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ কেউ পায়ে হেঁটেই বাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

ভ্যাপসা গরম ও তীব্র পরিবহণ সংকটে নাকাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গণপরিবহণ সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক জায়গায় ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি ভাড়া আদায় করেছে পরিবহণ চালকরা।শনিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রীদের ঢল নামে। অনেকে পরিবারসহ ফিরেছেন, কেউ এসেছেন একা। রেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগের দুই দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর সংখ্যা ছিল বেশি।

ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। যাত্রাপথের ক্লান্তি, তীব্র গরম, পরিবহণ সংকট, অতিরিক্ত ভাড়া—সব মিলিয়ে রাজধানীমুখী মানুষের ঈদ-পরবর্তী যাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্ভোগের আরেক নাম।