০৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৩৯
বিশেষ প্রতিনিধি : মুজাহিদ খাঁন কাওছার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার পর সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ফলাফল ঘোষণার শুরুতে জাকসু নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রীতিলতা হলের রিটানিং কর্মকর্তা শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যুতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ফলাফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব এ কে এম রাশিদুল আলম,সদস্য লুৎফুল এলাহীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা রয়েছেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গণনা সম্পন্ন হয় বলে নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ।

গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে হল কেন্দ্রগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সিনেট ভবনে আনা হয় এবং রাত ১০টার কিছু পর থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়।

ভোট গণনা টানা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত চললেও এরপর নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠক ডেকে গণনা সাময়িকভাবে স্থগিত করে। পুনরায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয় এবং সেদিন রাতে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে দুই দফায় সময় বাড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন, ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।

ছাত্রদের হল ও ভোটার সংখ্যা– আল বেরুনী হল ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হল ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হল ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হল ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হল ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হল ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হল ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হল ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হল ৯৪৭ জন।

ছাত্রীদের হল ও ভোটার সংখ্যা– নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হল ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হল ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হল ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হল ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হল ৫৭১ জন, রোকেয়া হল ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হল ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হল ৯৮৩ জন।

জাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে এবার ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে- সহ সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোট প্যানেল ছিল ৮টি। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে-বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত। ছাত্রদের ১১টি ও ছাত্রীদের ১০টি হলে ভোটগ্রহণ হয়, সব মিলিয়ে ২১টি ভোট কেন্দ্র এবং ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

মেধাবী শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাভার প্রতিনিধি। ​শনিবার (২৩ মে ২০২৬) দুপুর ৩ টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সবুজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। দেশে আইনের শাসনের অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে।” বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বলেন, আজ নারী ও শিশুরা ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। বক্তারা অনতিবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায়, সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: ইয়াসিন আরাফাত (সভাপতি, সাভার থানা কমিটি) শ্রী রবিন চন্দ্র রায় (সহ-সভাপতি)তনিমা হামিদ সুমি (সাধারণ সম্পাদক)নাজমুল ইসলাম রাকিব (দপ্তর সম্পাদক)মোছাঃ মুন্নী খাতুন (নারী বিষয়ক সম্পাদক)মোছাঃ মনিরা খাতুন (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক)এস রহমান (কার্যকরী সদস্য)এ সময় বিভিন্ন পোশাক কারখানার ইউনিয়নভুক্ত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ জনতা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৮২৪৯০৯০১০

জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু

আপডেট: ১১:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিশেষ প্রতিনিধি : মুজাহিদ খাঁন কাওছার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার পর সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ফলাফল ঘোষণার শুরুতে জাকসু নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রীতিলতা হলের রিটানিং কর্মকর্তা শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যুতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ফলাফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব এ কে এম রাশিদুল আলম,সদস্য লুৎফুল এলাহীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা রয়েছেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ভোট গণনা সম্পন্ন হয় বলে নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ।

গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে হল কেন্দ্রগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সিনেট ভবনে আনা হয় এবং রাত ১০টার কিছু পর থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়।

ভোট গণনা টানা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত চললেও এরপর নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠক ডেকে গণনা সাময়িকভাবে স্থগিত করে। পুনরায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভোট গণনা শুরু হয় এবং সেদিন রাতে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে দুই দফায় সময় বাড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন, ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।

ছাত্রদের হল ও ভোটার সংখ্যা– আল বেরুনী হল ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হল ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হল ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হল ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হল ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হল ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হল ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হল ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হল ৯৪৭ জন।

ছাত্রীদের হল ও ভোটার সংখ্যা– নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হল ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হল ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হল ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হল ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হল ৫৭১ জন, রোকেয়া হল ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হল ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হল ৯৮৩ জন।

জাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে এবার ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে- সহ সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোট প্যানেল ছিল ৮টি। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে-বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত। ছাত্রদের ১১টি ও ছাত্রীদের ১০টি হলে ভোটগ্রহণ হয়, সব মিলিয়ে ২১টি ভোট কেন্দ্র এবং ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল।